বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৪০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: প্রধান আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে দাকোপ উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত সুবর্ণচরে ৫৭ বস্তা সার জব্দ, বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ কসবায় ওমিক্রন’ আতঙ্ক ৫ দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসীর পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ গাড়ি ভাঙচুর করা শিক্ষার্থীদের কাজ নয়: প্রধানমন্ত্রী মহান বিজয়ের মাস শুরু কসবায় করোনার ‘ওমিক্রন’ আতংক, ৩ দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসীকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিন ঝালকাঠি সরকারি কলেজে নবাগত উপাধ্যক্ষের যোগদান আফ্রিকা থেকে দেশে আসা ২৪০ জনের কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রামপুরায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ, বন্ধ যান চলাচল
স্বাস্থ্যের ১৭টি নথি গায়েব: ৪ কর্মচারীকে বরখাস্ত

স্বাস্থ্যের ১৭টি নথি গায়েব: ৪ কর্মচারীকে বরখাস্ত

নিউজ ডেস্ক।।
ফাইল ছবি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি নথি গায়েব হওয়ার ঘটনায় বিভাগের ৪ জন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. নুর আলী বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন।

ওই চার কর্মচারী হলেন- ক্রয় ও সংগ্রহ-২ শাখার সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর আয়েশা সিদ্দিকা, জোসেফ সরদার, প্রশাসন-২ এর (গ্রহণ ও বিতরণ ইউনিট) অফিস সহায়ক বাদল চন্দ্র গোস্বামী এবং প্রশাসন-৩ শাখার অফিস সহায়ক মিন্টু মিয়া।

নথি গায়েবের ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. শাহ্ আলমকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এ তদন্ত কমিটি চারজনকে চিহ্নিত করেছিল বলে জানান আলী নূর।

তিনি বলেন, ‘চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এখন বিচার-বিশ্লেষণ করা হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের ১৭টি নথি গায়েবের ঘটনায় ২৮ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নাদিরা হায়দার জিডিটি করেন।

এরপর নথি গায়েবের ঘটনায় মন্ত্রণালয়টির অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন অনুবিভাগ) মো. শাহ্ আলমকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (চিকিৎসা শিক্ষা) মো. আহসান কবীর, উপসচিব (চিকিৎসা শিক্ষা-১) মোহাম্মদ আবদুল কাদের ও উপসচিব মল্লিকা খাতুন।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জিডিতে ১৭টি নথির নম্বর ও বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজসহ অন্যান্য মেডিকেল কলেজের কেনাকাটা সংক্রান্ত একাধিক নথি, ইলেকট্রনিক ডেটা ট্র্যাকিংসহ জনসংখ্যাভিত্তিক জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং কর্মসূচি, রিপোর্ট অধিদফতরের কেনাকাটা, ট্রেনিং স্কুলের যানবাহন বরাদ্দ ও ক্রয় সংক্রান্ত নথি।

জিডির পর ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তদন্তের অংশ হিসেবে ৩১ অক্টোবর সকালে সচিবালয়ে যায় ‘সিআইডি ক্রাইম সিন’। তারা সচিবালয় তিন নম্বর ভবনের নিচতলার ২৪ নম্বর কক্ষে (এ কক্ষ থেকে ফাইল চুরি হয়েছে) গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেন। এ কক্ষে কর্মরতদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডির কর্মকর্তারা।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই কক্ষের ছয়জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দুপুর সোয়া ১টার দিকে একটি মাইক্রোবাসে করে সিআইডি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। তারা হলেন- জোসেফ, আয়শা, বাদল, বারী, মিন্টু ও ফয়সাল।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD