রবিবার, ১৬ Jun ২০২৪, ১২:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে আইন মন্ত্রী আনিসুল হক বে-সরকারি ভাবে নির্বাচিত কসবায় ভোট দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত-৪ কসবায় এলজিইডি’র শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান আগরতলায় স্রোত আয়োজিত লোকসংস্কৃতি উৎসব কসবা প্রেসক্লাব সভাপতি’র উপর হামলার প্রতিবাদে মানবন্ধন ও প্রতিবাদ সভা কসবায় চকচন্দ্রপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ফলাফল ঘোষণা, পুরস্কার বিতরণ ও ছবক প্রদান শ্রী অরবিন্দ কলেজের প্রথম নবীনবরণ অনুষ্ঠান আজ বছরের দীর্ঘতম রাত, আকাশে থাকবে চাঁদ বিএনপি-জামাত বিদেশীদের সাথে আঁতাত করেছে-কসবায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ১৩ দিনের জন্য ভোটের মাঠে নামছে সশস্ত্র বাহিনী
যমুনা পাড়ে জ্যোৎস্নালোকিত সুখিতন

যমুনা পাড়ে জ্যোৎস্নালোকিত সুখিতন

মো.আলী আশরাফ খান

অগ্রহায়ন মাসের মাঝামাঝি। পরিষ্কার আকাশে চাঁদ উঠেছে। ঝকঝকে তকতকে কাঁসার বড় আকারের বগি থালার ন্যায় আজকের চাঁদ। সূর্য অস্ত গেছে প্রায় ঘণ্টা খানেক আগে। ভরা পূর্ণিমার জ্যোৎস্নার আলো যেন ঠিকরে পড়ছে। যমুনার পানিতে চাঁদের প্রতিবিম্ব পড়ে সৃজন করেছে এক অভাবনীয় দৃশ্য, বড় মায়াবী সে পরিবেশ। ছমির আলী নদীতে ফাঁস জাল পাতা শেষ করে তার টং ঘরের দিকে ফিরে আসছে। নদী তীরে খোলা আকাশের নিচে হালকা বাতাসে বেশ শীত অনুভব করছে। হঠাৎ সে দেখতে পেলো ত্রিশ চল্লিশ হাত দুরে নদীর কূল ঘেঁসে ভেজা বালির উপর একজন মানুষ যেন পড়ে আছে।

জ্যোৎস্নার আলোতে এ দৃশ্য দেখে ছমির আলীর মনে নানা প্রশ্ন জাগে। এটা কি জীবন্ত মানুষ নাকি মৃত? যদি জীবিত থেকেই থাকে তাহলে এই শীতের রাতে ওভাবে বালুচরে শুয়ে আছে কেন? তাও আবার একাকী। তাহলে কি কাউকে মেরে লাশ বানিয়ে এখানে ফেলে রেখে গেছে কেউ। যতোই এগিয়ে আসছে ততোই ভয়ে গলা শুকিয়ে আসছে। এক’পা, দু’পা করে এগিয়ে এসে ছমির আলী মনের সমস্ত দ্বিধা-দন্দ্ব ঝেড়ে ফেলে কিছুটা অস্পষ্ট স্বরে জিজ্ঞেস করে- কে ওখানে? প্রশ্নের কোনও উত্তর না পেয়ে আবার জিজ্ঞেস করে। এভাবে তিন চার বার জিজ্ঞেস করেও কোন জবাব না পেয়ে সে চিৎকার করে বলতে থাকে- কে ওখানে? কথা বলছো না কেন?

ছমির আলী এবার বালুচরে শুয়ে থাকা মানুষটার একদম কাছে চলে আসে। চাঁদের আলোয় সে স্পষ্ট দেখতে পায় একজন নারী কাত হয়ে শুয়ে আছে এবং খুব হাঁপাচ্ছে। পরনে একটা ব্লাউজ এবং পেটিকোট ছাড়া আর কিছু নেই। পাশে পড়ে আছে পলি ব্যাগে মোড়ানো একটা পুটলি। ছমির আলীর চিৎকার শুনে মেয়েটি কান্না জড়িত কন্ঠে বলে উঠল – ছমির ভাই আমি সুখি, সুখিতন। ছমির আলী এতক্ষণ সুখির মুখ দেখতে পায় নাই। এবার তার কন্ঠস্বর শুনে এবং মুখ থেকে অবিন্যস্ত লম্বা চুলের গোছা সরিয়ে জ্যোৎস্নার আলোতে দেখে নিশ্চিত হলো যে এই সেই সুখি, যার কথা ভেবে ভেবে তার সময় কাটে।

সুখির বয়স যখন সবেমাত্র তিন বছর তখন তার বাবা রইস উদ্দিন মারা যায়।
বাবা অনেক শখ করে তার নাম রেখেছিল সুখীতন। রইস উদ্দিন ছিল মুদি দোকানদার। শহর থেকে সওদা কিনে গ্রামের বিভিন্ন হাট বাজারে গিয়ে সেগুলো বিক্রি করে যা আয় হতো তা দিয়ে কোনো রকমে তিনজনের সংসার চলে যেতো।

রইস মারা যাওয়ার পর একমাত্র মেয়ে সুখিকে নিয়ে তার মা রমিছা আশ্রয় নেয় তার বাবার বাড়িতে। রমিছার বাবা-মা মারা গেছে কয়েক বছর আগে। তার বাবা ছিল শৈলাবাড়ি গ্রামের অবস্থা সম্পন্ন বড় গৃহস্ত। দুই খাদা জমি ছিল তার, ১৫-১৬টা ছিল গরু বাছুর, ৩-৪ জন মজুর সারা বছর কাজ করতো তাদের বাড়িতে। যমুনার ভাঙনে প্রায় সর্বস্ব খুইয়ে দুই ভাইয়ের এখন সম্বল মাত্র চার পাঁচ বিঘা জমির ফসল। তা দিয়ে ৭-৮ জনের অভাবের সংসার। এর সাথে যোগ হলো আরও দুটি মুখ। রমিছা গ্রামের ধনবান ব্যক্তিদের বাড়িতে কাজ করতে যেতে চায় কিন্তু তার দুই ভাই তাদের কুড়ি বছর বয়সী একমাত্র বিধবা বোনকে অন্যের বাড়িতে কাজ করতে দিতে নারাজ।

এভাবে দুই বছর কেটে যায়। সুখির এখন বয়স পাঁচ বছর। গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি করে দেয় তাকে। এদিকে সুন্দরী বিধবা রমিছার দিকে গ্রামের দুই তিনজন বদ চরিত্রের মানুষের কুদৃষ্টি পড়ে। ঘরে বউ থাকা সত্ত্বেও তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। রমিছা সব বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। তার এক কথা সে তার মেয়ে সুখিকে ছেড়ে অন্য কোথাও যাবে না।

অবশেষে রমিছার ভাই-ভাবিদের চাপাচাপিতে দ্বিতীয় বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। বর পাশের গ্রাম খোকসাবাসীর। সেও ছোট খাটো একটা ব্যবসা করে। তারও এটা দ্বিতীয় বিয়ে। সে তার প্রথম স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। চার পাঁচ বছর বয়সী একটা ছেলে আছে তার। বিয়ের পর রমিছা স্বামীর সংসার করলেও সুখিকে তাদের বাড়ি যেতে মানা। সুখি মামাদের সংসারেই থাকে। মামিদের সাথে সংসারের কাজ কর্ম করে আর স্কুলে পড়ে। এভাবে সে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করে। পড়া শোনায় ভালো বলে মামারা তাকে দুই কিলোমিটার দূরে রানিগ্রাম গার্লস হাই স্কুলে ভর্তি করে দেয়।

স্কুলে যাওয়ার সময় প্রতিবেশী ছমির আলী প্রায়শঃই সুখিকে তার বাইসাইকেলে করে পৌঁছে দিয়ে সিরাজগঞ্জ শহরে চলে যেতো। সে সময় ছমির আলী শহরের ভিক্টোরিয়া হাই স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়তো। এভাবে ছমির আলী আর সুখির মাঝে সখ্যতা গড়ে উঠলো। ধীরে ধীরে তাদের মাঝে জন্ম নেয় ভালোবাসা। কিন্তু তারা কেউ মুখে তা প্রকাশ করতো না। প্রায় তিন বছর পার হলো। ছমির আলী এস এস সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলো। হঠাৎ একদিন ছমির আলীর বাবা মারা গেল। সংসারে আয় করার মতো আর কোনো পথ নেই। তাই ছমির আলী বাধ্য হয়েই এক আত্মীয়ের সহায়তায় গার্মেন্টস শ্রমিক হিসেবে গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ির একটা ফ্যাক্টরিতে কাজ শুরু করলো।

এদিকে সুখি অষ্টম শ্রেণি পাশ করে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হলো। সুখি ছিল দেখতে খুব সুন্দরী। তাছাড়া ছাত্রি হিসেবেও ভালো ছিল। রান্নাবান্না এবংং সাংসারিক কাজেও ছিল পারদর্শী। রূপ আর গুন দুটোই ছিল সুখির। তাই অনেক স্থান থেকে বিয়ের প্রস্তাব আসতে লাগলো। একদিন জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি থানাধীন পিংনা গ্রাম থেকে একটা বিয়ের প্রস্তাব এলো। যমুনা নদীর সোজাসুজি পূর্ব পাড়ে এই গ্রামটি। বর্ষার সময় যখন নদী ভরে ওঠে তখন সরাসরি নৌকায় যাতায়াত করা যায়। সে সময় শৈলাবাড়ি থেকে পিংনার দূরত্ব দাঁড়ায় মাত্র ৯-১০ কিলোমিটার। ছেলে দেখতে ভালো, বিএ পাশ। বাপের একমাত্র ছেলে। ৮/১০ বিঘা জমি জায়গা আছে। যদিও তেমন কিছু কাজ কর্ম করে না।

সুখির মামা-মামিদের ইচ্ছানুযায়ী সুখির আপত্তি সত্ত্বেও ঐ ছেলের সাথে হঠাৎ করেই বিয়ে সম্পন্ন হলো। অনেকটা জোর করেই তাকে স্বামীর বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হলো। সুখির যখন বিয়ে হয় তখন ছমির আলী ছিল গাজীপুরে তার কর্মস্থলে। সে জানতেও পারলো না তার সুখির বিয়ে হয়ে যাওয়ার কথা। এদিকে মনে অনেক কষ্ট নিয়ে সুখি স্বামীর সংসারে মানিয়ে নিতে চেষ্টা করে। কিন্তু ভাগ্যের লেখা খণ্ডন করবে কীভাবে? সুখির স্বামী রাজিব ছিল একজন নেশাখোর। বিয়ের অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই সুখি তা বুঝতে পারে। রাজিবের বাবা-মার ধারণা ছিলো তার ছেলে একটু আধটু নেশা করলেও বিয়ের পর তা ঠিক হয়ে যাবে। সুখি অনেক চেষ্টা করেও তার স্বামীকে নেশার জগত থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে সক্ষম হলো না। বরং তা আরো বাড়তে থাকলো। এদিকে নেশার সামগ্রী কেনার টাকার জন্য রাজিব তার বাবা-মার সাথেও দূর্ব্যবহার করতে লাগল। এমনকি সে সুখিকেও শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করা শুরু করলো। সুখির হাত ও কানের সোনার গহনা দুটো জোর করে নিয়ে রাজিব বিক্রি করে দিলো।

এভাবে চলতে চলতে দুই বছর পার হয়ে গেছে। সুখির উপর তার স্বামীর অত্যাচারের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেলো। গতরাতে রাজিব বাড়ি ফিরে আসে নাই। আজ সকালে বাড়ি ফিরে আসলে সুখি জানতে চায় সারা রাত সে কোথায় ছিল। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রাজিব সুখিকে বাঁশের লাঠি দিয়ে প্রহার করে। সারাদিন অনেক কান্নাকাটি করে সুখি কোনো দানাপানি না খেয়েই কাটিয়ে দেয়। মনের দুঃখে সে আর দুপুরের খাবারও রান্না করে নাই। রাজিব সকাল বেলা বাড়ি এসে সুখিকে প্রহার করে সেই যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেল আবার যখন ফিরে আসলো তখন দুপুর গড়িয়ে গেছে। বাড়ি এসেই সুখির কাছে ভাত চাইলো। সুখি কোনো কথা না বলে শুধু কাঁদতে থাকে। এমন সময় রাজিব সুখির চুলের মুঠি ধরে টেনে হিচরে ঘর থেকে বের করে নিয়ে আসে। এরপর সে চিৎকার করে বলতে থাকে আমি তোকে তালাক দিলাম। এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক…………..।

তালাকের কথা শুনে সুখি মুর্ছা যায়। যখন জ্ঞান ফিরে আসে তখন বেলা বেশ গড়িয়ে গেছে। সে সিদ্ধান্ত নেয় এই বাড়িতে আর এক মুহূর্ত থাকবে না সে। কিন্তু যাবেই বা কোথায়? মামাদের বাড়ি ছাড়া আর কোথাও তো যাওয়ার জায়গাও নেই। সেখানেই ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সে। একবার ভাবে সে আত্মহত্যা করবে। কিন্তু তখন তার মায়ের কথা মনে পড়ে। মা প্রায়ই বলে আত্মহত্যা করা মহাপাপ। তাই সে শুধু তার মামার কিনে দেয়া একটা শাড়ি-ব্লাউজ পলি ব্যাগে ভরে এক কাপড়ে বেরিয়ে আসে। মাইল খানেক আসার পর খেয়া ঘাট। এখা‌নে এসে নৌকা পায় কিন্তু যাত্রী কম বলে নৌকা ছাড়তে দেরি করে।

বর্ষাকালে কয়েক মাস যমুনার উত্তাল তরঙ্গ আর ভরা নদীতে পিংনা থেকে খেয়া নৌকা ছেড়ে একবারে খোকসাবাসী খেয়াঘাটে আসা যায়। বর্ষা শেষে পানি কমে গেলে মাঝে বড় বড় চর জেগে ওঠায় নদী তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে সরাস‌রি নৌকা চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তখন একটা নৌকায় কিছু দূর এসে আবার বালুচরের উপর দিয়ে হেঁটে আরেকটা নৌকায় চড়তে হয়। সুখি এভাবে দুইটা নৌকায় এবং দুইটা বড় বালুচর পাড়ি দিয়ে তৃতীয় খেয়াঘাটে এসে দেখতে পায় ঘাটে কোনো নৌকা নেই। তখন সে কী করবে ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ সে নির্জন বালুচরে নৌকার জন্য অপেক্ষা করে। এদিকে সন্ধ্যা প্রায় ঘনিয়ে আসে।

বালুচরে একলা থাকা মোটেও নিরাপদ নয়। তাই অনেক চিন্তা ভাবনা করে পরনের শাড়িটা পলি ব্যাগে ভরে নিয়ে আল্লাহর নাম স্মরণ করে পানিতে নেমে পড়ে। পানি কম থাকায় কিছু পথ হেঁটে এবং কিছুটা সাঁতরিয়ে কোনো রকমে তীরে এসে ওঠে। সারা দিন অভুক্ত থাকার পর এতটা পথ সাঁতরে পাড়ে এসেই সুখি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এবার ছমির আলীর চিৎকারে তার জ্ঞান ফিরে আসে।

জ্যোৎস্নার আলোয় আলোকিত ছমির আলী এবং সুখি দুজন দুজনকে দেখছে অপলক চোখে। সুখির চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়ছে। ছমির আলী তার কাঁধের গামছা দিয়ে সেই পানি পরম যত্নে বার বার মুছে দিচ্ছে। ছমির আলী বলে সে যে গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করতো সেটা করোনার কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সে গ্রামে ফিরে আসে। জমানো যে টাকা ছিল তা দিয়ে ৩/৪ মাস মা এবং ছোট দুই ভাই-বোনের সংসারের খরচ চালাতে শেষ হয়ে যায়। এরপর আর কোন উপায় না থাকায় সে এখন যমুনা নদীতে ফাঁস জাল পেতে মাছ ধরে বিক্রি করে সংসার চালায়।

সুখির কাছ থেকে সব বৃত্তান্ত শুনে ছমির আলী সুখির খুব কাছে এসে অনেকটা আবেগ জড়ানো কন্ঠে বলতে থাকে- সুখি আমি তোমাকে ভালবাসি, তোমাকে আমি ছোটবেলা থেকেই অনেক ভালোবাসি, তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচবো না। আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই। সুখি বার বার আপত্তি করে কিন্তু ছমির আলী তাতে কান না দিয়ে বলতে থাকে আল্লাহর অশেষ রহমতে আবার তোমাকে কাছে পেয়েছি। এখন থেকে আর তোমাকে দূরে থাকতে দেব না। তোমাকে আমার ঘরে তুলে নেবো আমার স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে। কিন্তু সুখি তার প্রস্তাব বারবার প্রত্যাখ্যান করে। ছমির আলী অনেক অনুনয়-বিনয় করে সুখিকে তার মর্যাদা দেওয়ার কথা বলতে থাকে। অবশেষে ছমির আলীর ডান হাতটা নিজের দুই হাতের মধ্যে নিয়ে সুখি অঝোর ধারায় কাঁদতে থাকে। গড়িয়ে পড়া চোখের সেই পানি মুক্তার ন্যায় জ্বলজ্বল করছে। ছমির আলী অবাক বিশ্ময়ে সেদিকে তাকিয়ে থাকে।

মো. আলী আশরাফ খান
মহাব্যবস্থাপক (অবসরপ্রাপ্ত)বি‌সিক ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD