কলকাতা প্রতিনিধি
রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়
শুভেন্দু অধিকারী হোন বা মুকুল রায়, দলত্যাগীরা টার্গেট করেন তাঁকেই। কথায় কথায় কথামালা তৈরি হয়, তিনি নাকি ক্ষমতালোভী, পদলোভী। কেউ কখনওই তাঁকে জিজ্ঞেস করেন না সত্যিই কি তাই? তৃতীয় দফায় দল ক্ষমতায় এলে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি তবে ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী হবেন? নিউজ১৮ বাংলায় একান্ত সাক্ষাৎকারে এমন প্রশ্নেরই মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে তাঁর জবাব, দল চাইলেও কোনও পদ নিতে চান না তিনি।
দলের অবিসংবাদিত যুবরাজ তিনি। অনেকে বলেন তাঁর অঙ্গুলিহেলনই কর্মীদের ভাগ্য নিয়ন্ত্রিত হয়। অভিষেক উড়িয়ে দিলেন এসব তত্ত্ব। তাঁর যুক্তি, তিনি সাধারণ কর্মী, ডি-ফ্যাক্টো, যুবরাজ এইসব তকমা ভুঁয়ো, চাপিয়ে দেওয়া। অভিষেক এদিন স্পষ্ট বলেন, আগামী কুড়ি বছর কোনও পদই চান না তিনি। তাঁর কথায়, দল চাইলেও উপমুখ্যমন্ত্রী হব না। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাই একশো, তাঁর কোনও ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রীর দরকার নেই।
তাহলে তাঁর রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খা নেই? অভিষেক নিজেকে সংগঠক হিসেবে দেখছেন। বলছেন, এখানে কিছুই আমার একার নয়, সবার লড়াই এটা। কোটি কোটি মানুষ পরিশ্রম করছেন, এটা তাদেরও লড়াই। আমার উপর হয়তো আক্রমণ বেশি হয়। অভিষেক স্পষ্টই বলছেন ভবিষ্যতে সংগঠন শক্তিশালী করার কাজ করতে চান তিনি। এমনকি দল দায়িত্ব দিলেও তিনি নিতে চান না।
প্রসঙ্গত এই ইন্টারভিউতে কথা ওঠে তাঁর এবং শুভেন্দুর দ্বৈরথ নিয়েও। তোলাবাজি, সিন্ডিকেট-সহ অভিষেকের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলি শুভেন্দু আকছাড় তোলেন সেই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, আসলে উনি ঠিক তাই বলছেন, যা বিজেপি তাঁকে দিয়ে বলাচ্ছে। কাঁথিতে দাঁড়িয়ে করা তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যটির প্রসঙ্গ এলে অভিষেক বলেন, তিনি আসলে কনিষ্ক পান্ডা সম্পর্কে এই মন্তব্য করেছিলেন ,কারণ তাঁর রাজনৈতিক গডফাদার শুভেন্দু অধিকারী।
Leave a Reply