আবুল খায়ের স্বপন।।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মো. গোলাম হাক্কানীকে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত ঘোষনা করা হয়েছে। আজ সোমবার প্রতীক বরাদ্দের দিনে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান লিখিত ভাবে এ ঘোষণা করেন। এ ছাড়াও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করেছেন নয় জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৪ জন।
পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা
গেছে, কসবা পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী দুই নভেম্বর।
সম্পূর্ণ নির্বাচন হবে ইভিএম এর মাধ্যমে। গত ১০ অক্টোবর মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. গোলাম হাক্কানী ব্যতিত আর কোন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা করেনি। কোন প্রতিদ্বন্ধিতা
না থাকায় মো. গোলাম হাক্কানীকে মেয়র পদে নির্বাচিত ঘোষনা করেন। এ ছাড়াও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর হিসাবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছিলেন
সংরক্ষিত এক নং ওয়ার্ড থেকে তিনজন, দুই নং ওয়ার্ড থেকে চারজন এবং তিন নং ওয়ার্ড থেকে দুই জন। তারা প্রত্যেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৩৬ জন। তাদের মধ্যে দুই নং ওয়ার্ড থেকে মো. আবদুল আউয়াল এবং ৭ নং ওয়ার্ড থেকে প্রনব সাহা মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় ৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।
নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে আরো জানা গেছে, কসবা পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ২৯ হাজার ১৬৩জন। এদের মধ্যে পুরুষ ১৪ হাজার ৭২৯, মহিলা ভোটার ১৪ হাজার ৪৩৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ একজন রয়েছেন।
নির্বাচনী কেন্দ্রের সংখ্যা রয়েছে ১০টি।
নব নির্বাচিত মেয়র মো. গোলাম হাক্কানী বর্তমানে কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক। ১৯৮২ সালে তিনি সৈয়দাবাদ আর্দশ মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আসেন। এর পর ১৯৮৪ সালে থেকে তিনি কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৮সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত পরপর দুইবার কসবা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত কাউন্সিলরদের ভোটে পরপর দুই বার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৪ সাল হতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের দুইবার ওয়ার্কিং বোর্ডের সদস্য ছিলেন। ২০১৩ সালে তিনি কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
Leave a Reply