কল্যাণী : পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম সাড়া জাগানো পত্রিকা ‘মৈত্রীদূত’। কথা ছিল রবিবার ‘মৈত্রীদূত’ বৈশাখ সংখ্যা ১৪২৮ প্রকাশ পাবে। কিন্তু হঠাৎই লকডাউন হওয়ায় অগত্যা তড়িঘড়ি শনিবার বিকেলে সরকারি নিয়মনীতি মেনে (মাস্ক, স্যানিটাইজার) সাত-আটজনকে কবি-সাহিত্যিক নিয়ে ‘মৈত্রীদূত’ প্রকাশ পেল। বিশিষ্ট লেখক সাহিত্যিকদের মধ্যে ছিলেন প্রবীর সান্যাল, রণজয় মালাকার, আশিস সরকার, সোনালী ঘোষ, অসীম দাস, অভিষেক অধিকারী, সংঘমিত্রা মুখার্জী, কুশল মৈত্র প্রমুখ। এদিন পত্রিকা সম্পাদক কুশল মৈত্র বলেন যে, “আমরা মুদ্রিত বই প্রকাশে বিশ্বাসী। আর তা আপনাদের ভালোবাসায়। প্রতিবারের মতো এবারও ইচ্ছে ছিল বই প্রকাশ অনুষ্ঠান গুণিজনদের সংবর্ধনার মধ্যে দিয়েই করব। কিন্তু তা আর হলো কই? অতিমারীর ভয়াবহতায় আমরা সত্যিই কুণ্ঠিত। তাও এই পরিস্থিতিতে বই প্রকাশ করতে পেরেছি, এটাই অনেক। বরাবরের মতো সৌজন্য সংখ্যা পৌঁছে দেব। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থতা কাম্য।” স্মরণ, প্রবন্ধ, কবিতা, গল্প, অণুগল্প, রমাইরচনা, অণুভাবনা, ভ্রমণ কাহিনি, গ্রন্থ সমালোচনা, চিঠিপত্রের ডালি নিয়ে যাঁদের কলম সমৃদ্ধ করেছে, তাঁদের মধ্যে অরুণ কুমার চক্রবর্তী, প্রাণেশ সরকার, গোলাম রসুল, মন্দিরা রায়, সুখেন্দু বিকাশ মৈত্র, উদয়ন চক্রবর্তী, নীলিমা চক্রবর্তী কাঞ্জিলাল, প্রবীর রায়, অশোক চক্রবর্তী, তমাল সাহা, সুভাষ মজুমদার, তপন রায়চৌধুরী, মানস সরকার, অমিতাভ দাস, দীপক সাহা, সৌম ঘোষ, চুনীলাল দেবনাথ, সীমা রায়, অনুশ্রী দাসঘোষ, দেবাশিস ঘোষ, গোবিন্দ ব্যানার্জী, তাপস গুপ্ত, শান্তনু দাস, মালা চক্রবর্তী প্রমুখ।
Leave a Reply