শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই বেগম জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ট্রাফিক স্কুলে দোয়া মাহফিল স্কুল অব লিডারশিপ এর আয়োজনে দিনব্যাপী পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেনিং এন্ড ওয়ার্কশপ চাঁদপুরে সাহিত্য সন্ধ্যা ও বিশ্ববাঙালি মৈত্রী সম্মাননা-২০২৫ অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় টিডিএসে দোয়া মাহফিল সব্যসাচী লেখক, বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদী: সিলেট থেকে বিশ্ব সাহিত্যে কসবায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে নেতাকর্মীদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন ৭ই নভেম্বর: সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান এখন কবি আল মাহমুদের সময় দৈনিক ঐশী বাংলা’র জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ১৭ জানুয়ারি-‘২৬ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ দিবস আজ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ দিবস আজ

রাকিব মাহমুদ, শাহজাদপুর(সিরাজগঞ্জ)  প্রতিনিধি

দেশের একমাত্র সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের আজ (২৬ জুলাই) জন্মদিবস।বিশ্বকবির স্মৃতি বিজড়িত স্থান সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ৪ বছর আগে যাত্রা শুরু করে দেশের অন্যতম এই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।

২০১৫ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করার মধ্য দিয়ে  বাংলাদেশ তথা বিশ্ববাসীর কাছে দেশের একমাত্র সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত লাভ করে।

ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের ২ বছর পর ২০১৭ সালে  শাহজাদপুরে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।প্রথম ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় একুশে পদকপ্রাপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড.বিশ্বজিৎ ঘোষকে।ড.বিশ্বজিৎ ঘোষের হাত ধরে শাহজাদপুরের মত প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিশ্ববিদ্যালয়টি নানা জটিলতা পেরিয়ে ৪ বছরে পদার্পণ করে।বিশ্বজিৎ ঘোষের অভিজ্ঞ পরিচালনায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের নামে  দেশের অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে খুব দ্রুত সুনাম ছড়িয়ে পড়ে দেশব্যপী৷ বিশ্বজিৎ ঘোষের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বর্তমানে অতিরিক্ত ভিসি হিসেবে দায়িত্ব প্রাপ্ত আছে ট্রেজারার অধ্যাপক আব্দুল লতিফ। বর্তমানে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে ৩ টি বিভাগে ৫ টি ডিপার্টমেন্টে প্রায় ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।

দেশের একমাত্র সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করার পর থেকেই নানা অনুষ্ঠান ও কার্যক্রম এর মাধ্যমে পালিত হয়ে আসছে এই বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটি।কিন্তু করোনার কারণে এ বছর অফলাইনে দিবসটি পালন করা সম্ভব না হলেও অনলাইনে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে নানাভাবে পালিত হচ্ছে দিবসটি।

নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শিক্ষার্থীরা নানা ভাবে নিজেদের নিজেদের আবেগ ভালবাসা প্রকাশ করছে। শিক্ষার্থীরা আজকের এই বিশেষ দিনে একটা দাবী প্রকাশ করে বলেন,আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে খুবই গর্বিত।ড.বিশ্বজিৎ ঘোষের তত্বাবধানে নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশব্যাপী সুনাম অর্জন করেছে।কিন্ত আমরা ভর্তি হওয়ার ৪ বছর হলেও আমরা আমাদের ক্যাম্পাসের কোনো অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছিনা।তাই আজকে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তথা সরকারের কাছে একটাই চাওয়া আমরা আমাদের ক্যাম্পাস দেখতে চাই।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD