শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই বেগম জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ট্রাফিক স্কুলে দোয়া মাহফিল স্কুল অব লিডারশিপ এর আয়োজনে দিনব্যাপী পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেনিং এন্ড ওয়ার্কশপ চাঁদপুরে সাহিত্য সন্ধ্যা ও বিশ্ববাঙালি মৈত্রী সম্মাননা-২০২৫ অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় টিডিএসে দোয়া মাহফিল সব্যসাচী লেখক, বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদী: সিলেট থেকে বিশ্ব সাহিত্যে কসবায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে নেতাকর্মীদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন ৭ই নভেম্বর: সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান এখন কবি আল মাহমুদের সময় দৈনিক ঐশী বাংলা’র জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ১৭ জানুয়ারি-‘২৬ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে
মুফতী মিজানুর রহমান কাশেমীর সন্ধান চেয়েছে তার পরিবার

মুফতী মিজানুর রহমান কাশেমীর সন্ধান চেয়েছে তার পরিবার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।।
উপমহাদেশের প্রখ্যাত ইসলামি বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দ ও চট্রগ্রাম হাটহাজারী মাদরাসার সাবেক ছাত্র মুফতী মিজানুর রহমান কাশেমীর সন্ধান চেয়েছে তার পরিবার। পরিবারের দাবি, তাকে অপহরণ করা হয়েছে। সোমবার সকালে তার সন্ধান চেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছে তার পরিবারের সদস্যরা।

সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজ মুফতী মিজানুর রহমান কাসেমীর পিতা আব্দুল ওয়াহাবের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভাইরা ভাই এস এস এম সায়েম। তিনি বলেন, মুফতী মিজানুর রহমান কাসেমী একজন তরুণ উদীয়মান মিষ্টভাষী বক্তা। অল্প সময়ে তিনি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। গত এক বছর যাবত তিনি হাটহাজারী চারিয়া কালা বাদশা জামে মসজিদের খতিব ছিলেন। গত ১ সেপ্টেম্বর তিনি হাটহাজারী থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। কিন্তু এর পর থেকে তার আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। ফেরার দিন বিকেলে তার বন্ধু শওকতকে ফোনে জানান, চারজন লোক আটকিয়ে অবান্তর প্রশ্ন করছে। শওকত পরিবারকে বিষয়টি জানান। তবে পরে ওই নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সদর মডেল থানায় এই বিষয়ে যোগাযোগ করলে বলা হয় হাটহাজারী থানায় সাধারণ ডায়েরি করতে হবে। আমরা সেখানে গিয়ে জিডি করি। জিডি অনুযায়ী মোবাইলের লোকেশন ট্র‍্যাকিং করে সিলেটের জকিগঞ্জ জানা যায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে তার কোন প্রকার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এই অবস্থায় আমরা ডিবি ও ভৈরব র‍্যাব ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। অদ্যাবধি র‍্যাব থেকে কোন প্রকার সাহায্য সহযোগিতা পাচ্ছিনা।
র‍্যাবের কাছে করা অভিযোগে এই ঘটনা জড়িত সন্দেহভাজন হিসেবে মুফতী মিজানুর রহমান কাসেমীর বন্ধু শওকত ও মুনিরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। কারণ মিজানুর রহমান ও শওকত একই মসজিদ এবং ঈদগাহ মাঠের খতিব ছিলেন। শওকতের কথায় সন্দেহজনক। তাকে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তথ্য উদঘাটন করা যেতে পারে।
১৪দিন হয়ে গেলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তার কোন সন্ধান দিতে পারেনি মুফতী মিজানুর রহমান কাসেমীর।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নিখোঁজ মুফতী মিজানুর রহমান কাসেমীর পিতা আব্দুল ওয়াহাব ও কাজি এরশাদুল হক সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ্য।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD