সিয়াম মাহমুদ
১৯২০ এ নির্মল জন্ম যার
১৯৭৫ এ নৃশংস মৃত্যু তাঁর।
যিনি ছিলেন জয় বাংলার বজ্রকন্ঠ
তিনিই তো ছিলেন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ।
যিনি স্বাধীনতার অমর কাব্যের কবি
তিনিই তো বাংলার চির সবুজের ছবি।
জাগিয়েছিলো যিনি আমাদের মার্চই ৭ এ
স্বাধীনতা শব্দটি জন্মেছিলো সেদিন তাঁরই বজ্রকন্ঠে।
যেই মন্ত্রে আমরা নেমেছিলাম রাজপথে
সেই মন্ত্রেই তো অর্জন করেছিলাম স্বাধীনতা।
সেই মন্ত্রটিও তো তাঁর –
“এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
ধিক্কার তোমায়, হে অকৃতজ্ঞ বাঙালি জাতি!
ছিঃ, কারণ তোমরাই দিয়েছো তাঁকে নৃশংস মৃত্যুর অশান্তি!
যিনি দিয়েছিলেন স্বাধীনতার ডাক,
বিনিময়ে তিনিই পেলেন ঘাতকের বুলেটের আঘাত।
যার হাত ধরে এসেছিল বাংলার স্বাধীনতা,
তাঁকে নিয়েই বাংলায় ছিল অপারগতা।
যার জন্য বাংলায় ফোঁটল লাল গোলাপ,
তাঁর হত্যার আদ্যন্তেই নিঃশেষ হয়েছে বাংলার স্বাধীনতার স্বাধ।
তবুও তিনি রয়েছেন বাঙালির অন্তরে
তিনি রয়েছেন বাঙ্গালির হৃদয়ে।
মিশে আছে বাঙ্গালির শ্বাস-প্রশ্বাসে
মিশে আছে বাঙ্গালির সত্তায়।
তিনি রয়ে যাবেন বাঙালির মানচিত্রে
তিনি বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল আমাদের মাঝে।
রাজাকার আলবদর ও মিরজাফরদের চক্রান্তে-
সেই অন্ধকার রাতে
লাল সবুজের মানচিত্র হয়েছিল ধূসর।
সেই ক্রুদ্ধ রাতে
আবারও রক্তাক্ত হয়েছিল পতাকা।
হেসেছিল সেদিন রাজাকার-স্বৈরাচার আর জামাতীরা,
বোবা কান্না কেঁদেছিল সেদিন বীর বাঙালিরা।
হেসেছিল পাষণ্ড বিশ্বাসঘাতকেরা,
আজ হাসছে মুজিব সৈনিকেরা,
আর কাঁদছে পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা!
Leave a Reply