শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই বেগম জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ট্রাফিক স্কুলে দোয়া মাহফিল স্কুল অব লিডারশিপ এর আয়োজনে দিনব্যাপী পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেনিং এন্ড ওয়ার্কশপ চাঁদপুরে সাহিত্য সন্ধ্যা ও বিশ্ববাঙালি মৈত্রী সম্মাননা-২০২৫ অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় টিডিএসে দোয়া মাহফিল সব্যসাচী লেখক, বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদী: সিলেট থেকে বিশ্ব সাহিত্যে কসবায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে নেতাকর্মীদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন ৭ই নভেম্বর: সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান এখন কবি আল মাহমুদের সময় দৈনিক ঐশী বাংলা’র জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ১৭ জানুয়ারি-‘২৬ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে
সুবর্ণচরে দখলকৃত ভূমি তদন্তে স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক

সুবর্ণচরে দখলকৃত ভূমি তদন্তে স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী সুবর্ণচরে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে মেঘনা নদীর তীরে জেগে উঠা শত শত একর জমি দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন ভাবে জবরদখল করে ভোগ করছে একটি কুচক্রীমহল।

এই আলোচিত ঘটনার দখলকৃত জমি গুলো মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে জেলা স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক মোহাম্মদ আবু ইউসুফ।

গত (১৮ এপ্রিল) বেলা ১২ টায় মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর আক্রাম উদ্দিন মৌজা, চরলক্ষী মৌজা, চর উরিয়া মৌজাসহ একাধিক দখলকৃত জমি তদন্ত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৈতী সর্ববিদ্যা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আরিফুর রহমান, সাংবাদিক, স্থানিয় জনপ্রতিনিধি, সাধারণ জনগণ সহ অন্যান্যরা।

স্থানিয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকে জানান, স্থানিয় মহিউদ্দিন চেয়ারম্যানের মৎস প্রজেক্ট, যুবলীগ নেতা তাজ উদ্দিন বাবরের মৎস্য প্রজেক্ট, চর আক্রাম মৌজায় ২নং চরবাটার নেতাদের মৎস্য প্রজেক্ট, স্থানিয় আরো অন্যান্য নেতা সহ একাধিক নেতার নামে বিভিন্ন জমি দখলে রয়েছে বলে জানান তারা।

এছাড়াও, গত ২০ মার্চ-২০২২, মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের স্থানিয় চেয়ারম্যান মোঃ মহিউদ্দিন চৌধুরী এর বিরুদ্ধে ৩০৬ নং চর উরিয়া মৌজা ও ২৬৬ নং চরলক্ষী মৌজার সরকারি ১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত ভূমি জবরদখল করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে অবৈধ ভাবে লীজ প্রদানের বিষয় উল্লেখপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা সরেজমিন তদন্ত করে জেলা স্থানিয় উপ পরিচালক বরাবর একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। উক্ত ভূমিতে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ রিট পিটিশন ৫১৯৪/২০০৪ ও ৪৬৩০/২০১০ মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, এটি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বিবিদ্যালয়ের একটি শাখা কোর্সের জন্য “দেশরত্ন শেখ হাসিনা সমুদ্র বিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট” নামে নোবিপ্রবি’র উপাচার্য (ভিসি) জেলা প্রশাসকের নিকট প্রস্তাব করেন। তখন জমি গুলো জেলা প্রশাসক মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করে একটি তদন্ত রিপোর্ট বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) প্রেরণ করা হয়। এই প্রস্তাবকৃত জমি গুলো এখন একটি কুচক্রী মহল ভোগ করছে।

জেলা স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক মোহাম্মদ আবু ইউসুফ জানান, খাস ভূমি এটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে এই ভুমি গুলো মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করা হয় এবং দখলকৃত জমিতে চাষাবাদ করা ফসল গুলো সীজ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আরো অধিকতর তদন্ত করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানু ব্যবস্থা গ্রহন করা হবেও বলে জানান তিনি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD