সুদানের দারফুর প্রদেশের এল ফাশেরে সিক্স ডিভিশনের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার জেনারেল ফয়সাল মোহামেদ আহমেদ হাসান কে জাতির পিতার ওপর লিখা ইংরেজী ভাষায় অনূদিত শতাধিক বই প্রদান করেছে বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিট। মুজিব শতবর্ষপূর্তী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে এই উপহার প্রদান করা হয়।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ব্যানএফপিইউ উদ্যোগে সিক্স ডিভিশন অফিসে সুদানের সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের মাঝে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিচয় করার জন্য একশত বই জেনারেল ফয়সালকে প্রদান করা হয়। বই প্রদান অনুষ্ঠানে সিক্স ডিভিশনের জেনারেল জাতির পিতার উপর লিখা বই প্রদানের জন্য বাংলাদেশ পুলিশকে ধন্যবাদ প্রদান করেন।
তিনি বলেন, এই বই গুলো শুধুমাত্র বাংলাদেশের জাতির পিতার সম্পর্কে জ্ঞান আহরণের সুযোগ দিবে না, বরং সুদান ও বাংলাদেশের মধ্যে ভাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি করবে। ব্যানএফপিইউ কমান্ডার মোহাম্মদ আব্দুল হালিম কর্তৃক মহান মুক্তিযুদ্ধে ও বাংলাদেশ সৃষ্টিতে জাতির পিতার অবদানের কথাকে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং ১৯৭৩ সালে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতার “জুলি ও কুরি” পদক অর্জনের সময়টি তুলে ধরেন। তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ আর তাই আমরা ইতিমধ্যে জাতির পিতাকে পরিচিতি করতে সুদান গস পুলিশ, উনামিড লাইব্রেরী, নতুন মিশন উনিটামস সহ দারফুরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে সর্বমোট প্রায় ছয় শতাধিক বই প্রদান করি। আমাদের উনামিড মিশনের কার্যক্রম শেষ কিন্তু আমাদের এই বই প্রদান আশা করি সুদানের সকলের কাছে সুখকর স্মৃতি হয়ে থাকবে।
বই প্রদান অনুষ্ঠানে স্ট্যাট লিয়াজো অফিসার (উত্তর দারফুর) বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ ইউনিট শান্তিরক্ষা মিশনে এসে শান্তিরক্ষা প্রতিষ্ঠার কাজের পাশাপাশি সুদান আর্মড ফোর্সকে বই প্রদানের দিনটি মাইলফলক হিসাবে উল্লেখ করেন।
ব্যানএফপিইউ কমান্ডার মোহাম্মদ আব্দুল হালিম জাতির পিতার ওপর লিখা বইগুলোর ওপর সংক্ষিপ্ত ধারণা প্রদান করেন। ডিউটি অফিসার আরাফাতুল ইসলাম বলেন বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিট দারফুরে আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তিনি জেনারেল ও তার অফিসের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামনে দারফুরে বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক নানা উল্লেখযোগ্য কর্মকান্ড তুলে ধরেন। পরে কমান্ডার মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বাংলাদেশ পুলিশের অভিভাবক সম্মানিত আইজিপি পক্ষ থেকে একটি শুভেচ্ছা ক্রেস্ট জেনারেল ফয়সালের হাতে তুলে দেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন কর্নেল আহমেদ আব্দেল বারি, মিলিটারি ইন্টিলিজেন্সের কর্মকর্তাসহ সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
Leave a Reply