আবুল খায়ের স্বপন।।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সোনালী ব্যাংক থেকে আজ
মঙ্গলবার সকালে টাকা তুলে গেইট পাড় হতে গেলে কসবা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ও যায়যায়দিন পত্রিকার সাংবাদিক মো. শাহআলম চৌধুরীর প্যান্টের পকেট থেকে ২০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে একটি সংঘবদ্ধ চোরের দল। ব্যাংক থেকে টাকা চুরি হওয়ার জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
ব্যাংক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কসবা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক ও যায়যায়দিন পত্রিকার সাংবাদিক মো. শাহআলম চৌধুরী আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কসবা সোনালী ব্যাংকে গিয়ে তার ব্যক্তিগত হিসাব নম্বর থেকে ২০ হাজার টাকা তোলে প্যান্টের পকেটে রাখেন। এ সময়ে ব্যাংকে লোকজনের প্রচন্ড ভীড় ছিল। ওই সাংবাদিক টাকাগুলি তাঁর প্যান্টের পকেটে রেখে শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোহাম্মদ নুরুল হক এক
কামরায় গিয়ে কসবা প্রেসক্লাবের হিসাব নম্বরের
একটি স্ট্যাইটম্যান চান। পরে সেখান থেকে অন্য এক কর্মকর্তার সাথে কথা বলে গেইট পেরিয়ে পকেটে হাত দিয়ে টাকা খুজেঁ পাননি। একটি সংঘবদ্ধ চোরের দল ওই টাকা নিয়ে গেছেন।
তিনি পুনরায় ব্যাংকে শাখা ব্যবস্থাপকের কাছে গিয়ে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরাও ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি অবহিত হয়। ব্যাংকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গ্রাহকসহ ব্যাংকে জনসাধারণের প্রচন্ড ভীড়। স্বাস্থ্য বিধি মানার কোন বালাই নেই। ক্ষতিগ্রস্থ কসবা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক মো.শাহআলম চৌধুরী বলেন, পারিবারিক কাজের জন্য তিনি তাঁর ব্যক্তিগত হিসাব নম্বর থেকে ২০ হাজার টাকা তুলেছেন। টাকাটা পকেটে রেখে প্রেসক্লাবের হিসাব নম্বরের একটি স্ট্যাইটম্যান আনার জন্য ম্যানাজারের কাছে যান। সেখান থেকে বের হয়ে গেইট পাড় হওয়ার পরই প্যান্টের পকেটে টাকা নেই।
কসবা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ব্যাংক থেকে ভীড় জমিয়ে টাকা চুরি করে নিয়ে যাবে এটি অত্যান্ত দুঃখজনক।
করোনার এ পরিস্থিতিতে ব্যাংক কতৃপক্ষকে আরো সক্রিয় ভূমিকা এবং আইন শৃংখলা বাহিনীকে আরো তৎপর হতে হবে।
সোনালী ব্যাংক কসবা শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ
নুরুল হক বলেন, ব্যাংক থেকে টাকা তোলা হয়ে গেছে, বের হওয়ার সময় চোর টাকা নিয়ে গেছে, এতে আমাদের দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া কিছুই করার নেই। তিনি বলেন, করোনা আসায় গত তিনদিন ধরে বিভিন্ন গ্রাহকরা প্রচন্ড ভীড় করছে। তাদেরকে তিনি নিজেই গেইটে গিয়ে ঠেকাতে পারছেন না।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ
আলমগীর ভূইয়া বলেন, পুলিশ পাঠিয়ে টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করছি।
Leave a Reply