শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই বেগম জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ট্রাফিক স্কুলে দোয়া মাহফিল স্কুল অব লিডারশিপ এর আয়োজনে দিনব্যাপী পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেনিং এন্ড ওয়ার্কশপ চাঁদপুরে সাহিত্য সন্ধ্যা ও বিশ্ববাঙালি মৈত্রী সম্মাননা-২০২৫ অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় টিডিএসে দোয়া মাহফিল সব্যসাচী লেখক, বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদী: সিলেট থেকে বিশ্ব সাহিত্যে কসবায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে নেতাকর্মীদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন ৭ই নভেম্বর: সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান এখন কবি আল মাহমুদের সময় দৈনিক ঐশী বাংলা’র জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ১৭ জানুয়ারি-‘২৬ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে
কিশোরগঞ্জে দুই শিক্ষকের জাল সনদ, প্রধান শিক্ষককে মামলার নির্দেশ

কিশোরগঞ্জে দুই শিক্ষকের জাল সনদ, প্রধান শিক্ষককে মামলার নির্দেশ

খাদেমুল মোরসালিন শাকীর নীলফামারী প্রতিনিধি \

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে সনদ জালিয়াতি করে ৭ বছর ধরে চাকুরি করছেন দুই শিক্ষক। অন্যের সনদে নিজের নাম ব্যবহার করে এমপিওভুক্ত হয়ে সরকারি বেতন ভাতাও উত্তোলন করেছেন।

গত রবিবার তাদের নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির ঘটনা প্রকাশ পাওয়ায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সনদ জালিয়াতি করে মাগুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়োগ নেয়া দুই শিক্ষক হলেন লতিফুজ্জামান ও মনিকা রানী রায়। এরা দু’জনে ওই বিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই দুই শিক্ষকের নিবন্ধন সনদ নিরীক্ষনের জন্য বে-সরকারী শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) তে পাঠান। বে-সরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ তাদের নিবন্ধন সনদ যাচাই করে বৃহস্পতিবার তাদের ওয়েব সাইটে ফলাফল দেন। সনদধারীদ্বয় জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন বলে দালিলিকভাবে প্রমান হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানকে নির্দেশ দেন। ভুয়া নিবন্ধন সনদধারী শিক্ষক লতিফুজ্জামান ৯জুন ২০১২ সালে ওই বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। জুলাই ২০১৩ সালে এমপিওভুক্ত হন। তার ইনডেক্স নং ১০৭৭০৫০। সে গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের খামার গাড়াগ্রাম আহেলার স্ট্যান্ডের মৃত আব্দুল ওয়াহেদের ছেলে। তিনি প্রকৃত সনদধারী ইসলাম উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলামের সনদ হুবহু জাল করেছেন। শুধু নাম ও বাবার নাম পরিবর্তন করে হুবহু অবিকল সনদ তৈরী করে নিয়োগ নেন। ৫ম ব্যাচের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রকৃত সনদধারীর রোল নং ৩০৪১০৯৫৮৯০০১৮০১। এদিকে অপর ভুয়া নিবন্ধনধারী শিক্ষিকা মনিকা রানী রায় ১২ এপ্রিল ২০১২ সালে ওই বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। মে ২০১৩ সালে এমপিওভুক্ত হন। তার ইনডেক্স নং ১০৭৫০৫৮। সে উপজেলার বাজেডুমরিয়া গ্রামের চন্দনের স্ত্রী বলে জানা যায়। তিনি প্রকৃত সনদধারী আব্দুর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমানের নিবন্ধন সনদপত্র হুবহু জাল করেছেন। শুধু নাম ও বাবার নাম পরিবর্তন করে হুবহু অবিকল সনদ তৈরী করে ওই বিদ্যায়ে নিয়োগ নেন। ৫ম ব্যাচের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রকৃত সনদধারীর রোল নং ৩০৪১৭১০৪৯০০০১৬৩১। বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় অন্যের সনদ জাল করে নিয়োগ নেয়া ওই দুই শিক্ষকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি। এব্যাপারে মাগুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিধি অনুযায়ী জাল সনদধারী ওই দুইজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD