এবারের সংগ্রাম
আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম
এবারের সংগ্রাম
আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে জাতির জনকের সেই ভাষণ থেকে বাঙ্গালী জাতি স্বাধীনতা শব্দটি বুকে লালন করে। পরবর্তীতে জাতির পিতার নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জন করে।
আজ ১৭ই মার্চ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মদিন। এ উপলক্ষে ব্যাপক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ৩ আনসার ব্যাটালিয়ন, ছোটমেরুং, দিঘীনালা, খাগড়াছড়ি।
ফজরের নামাযে মোনাজাত দোয়া মাহফিল দিয়ে শুরু হয় দিনের কার্যক্রম। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা ও বাহিনীর পতাকা উত্তোলন করা হয়।
সকাল ৯ঃ৪৫ ঘটিকায় শুভ জন্মদিনর কেক কাটেন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক চন্দন দেবনাথ ও ব্যাটালিয়নের অন্যান্য পদবীর সদস্যবৃন্দ। পরবর্তীতে সকাল ১০ ঘটিকায় দরবার হলে জাতির জনকের উপর প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় যেখানে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক ও সকল পদবীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত হয়ে উপভোগ করেন।
সকাল ১১ ঘটিকায় আলোচনা সভার প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক চন্দন দেবনাথ আসন গ্রহন করেন। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপর বিশদ আলোচনা শুরু হয়। আলোচনার শুরুতে কোরআন তেলওয়াত দিয়ে শুরু করা হয়। আলোচনা সভায় সকল পদবীর ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা বঙ্গবন্ধুর উপর স্মৃতিচারণ করেন। জাতির পিতার জীবনের বিভিন্ন গুনাবলী নিয়ে আলোচনা করেন। পরিশেষে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক জাতির পিতাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন- জাতির পিতা ছিলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির অহংকার, স্বপ্নদ্রষ্টা, মুক্তির মহানায়ক। মহানায়কের জন্ম না হলে হয়তো আমাদের বাংলা ভাষায় কথা বলা, প্রকাশ করা কিছুই হতো না। তাঁর এই জন্ম দিনে আগামির ভবিষ্যত যে শিশুরা আছে তাঁদের মধ্যে জাতির পিতার গুনাবলীগুলো ছড়িয়ে দেয়াই হবে আমাদের আজকের দিনের ব্রত। সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সমাপনী বক্তব্যর মাধ্যমে আলোচনা সভা শেষ করেন অধিনায়ক চন্দন দেবনাথ।
আলোকসজ্জায় পুরো ব্যাটালিয়ন সাজানো হয় নতুন রুপে।
সবাইকে জাতির পিতার ১০১তম জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক।
Leave a Reply