শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কসবায় অবৈধ ড্রেজিংবিরোধী অভিযান, ২টি ড্রেজার ধ্বংস ও ১ লাখ টাকা জরিমানা কসবায় তরুণ মানব সেবা সংগঠনের উদ্যোগে স্বর্ণপদক কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ আল্লামা গোলাম হাক্কানী পীর সাহেব (র) আমার শ্রদ্ধাভাজন উস্তাদ কসবায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নবগঠিত কমিটি শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর,শিক্ষার উন্নয়নে কাজের প্রত্যাশা কসবা ব্যাংক সোসাইটির উদ্যোগে শিক্ষোপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন টিডিএসে দ্বিতীয়বারের মতো “জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট” অনুষ্ঠিত কসবাসহ বিভিন্ন সীমান্তে বিজিবির অভিযান প্রায় ১ কোটি ৮ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ ট্রাফিক এন্ড ড্রাইভিং স্কুলে স্বাধীনতার ঘোষককে নিয়ে সেমিনার আয়োজন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে ধারণ ক্ষমতার তিন গুণ আসামি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কারাগারে ধারণ ক্ষমতার তিন গুণ আসামি

কিশেষ প্রতিনিধি।।

জেলা কারাগারে প্রতিনিয়ত বাড়ছে আসামি ও কয়েদির সংখ্যা। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে প্রায় তিন গুণ বন্দি রয়েছে এই কারাগারে। ফলে হিমশিম খেতে হচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষকে। একই সঙ্গে করোনাভাইরাস সংক্রমণেরও ঝুঁকি রয়েছে।

জেলা কারাগারের তথ্য অনুযায়ী, ৬০৩ জনের ধারণ ক্ষমতা থাকলেও এখানে প্রায় ১ হাজার ৭৫০ বন্দি থাকছেন। এর মধ্যে পুরুষের চারটি ও নারীদের একটি ভবন রয়েছে। আর এসব বন্দিদের জন্য জেল সুপার, জেলার ও ডেপুটি জেলারসহ মোট ১১৫জন কারারক্ষী আছেন। ফলে বন্দিদের নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষকে।

এ বিষয়ে জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার রেজাউল করিম বলেন, ‘কারাগারে বর্তমানে ১ হাজার ৭০০ বন্দি আছে। এরমধ্যে প্রায় শতাধিক নারী। নারীদের সঙ্গে শিশুরাও থাকে। বন্দিদের থাকার জায়গার যতটুকু প্রয়োজন, তা না থাকায় সমস্যা হচ্ছে। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে।’

জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মফিজুর রহমান বাবুল বলেন, আমরা বরাবর মাসিক সভাগুলোতে আবেদন জানিয়ে আসছি, কারাগারে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি থাকায় যারা জামিন পাওয়ার যোগ্য তাদের জামিন দেয়া হোক। এই লকডাউনের মধ্যে হাইকোর্ট থেকে হাজতিদের জামিন চাওয়ার জন্য সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুটি কোর্ট ছাড়া সব কোর্টে জামিনের আবেদন করতে পারছি। আদালত থেকে অনেক জামিন দেয়া হচ্ছে, এরপরও কারাগারে থাকা বন্দির সংখ্যা অনেক বেশি। এটা সরকারের বিষয়, আমরা চাই আরও বড় পরিসরে বন্দিদের রাখা ব্যবস্থা করা হোক।

জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, কারাগারে ১৫০০-১৭০০ জন বন্দি থাকে। যদিও ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন শুনানি। এতে কিছু বন্দির জামিনও হয়। তবে সে তুলনায় দ্বিগুণ আসামি প্রতিদিন কারাগারে আসে। এতে করে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD