শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কসবায় অবৈধ ড্রেজিংবিরোধী অভিযান, ২টি ড্রেজার ধ্বংস ও ১ লাখ টাকা জরিমানা কসবায় তরুণ মানব সেবা সংগঠনের উদ্যোগে স্বর্ণপদক কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ আল্লামা গোলাম হাক্কানী পীর সাহেব (র) আমার শ্রদ্ধাভাজন উস্তাদ কসবায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নবগঠিত কমিটি শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর,শিক্ষার উন্নয়নে কাজের প্রত্যাশা কসবা ব্যাংক সোসাইটির উদ্যোগে শিক্ষোপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের ১ম বর্ষপূর্তি উদযাপন টিডিএসে দ্বিতীয়বারের মতো “জিয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট” অনুষ্ঠিত কসবাসহ বিভিন্ন সীমান্তে বিজিবির অভিযান প্রায় ১ কোটি ৮ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ ট্রাফিক এন্ড ড্রাইভিং স্কুলে স্বাধীনতার ঘোষককে নিয়ে সেমিনার আয়োজন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই
ভারতে মৃত্যুর রেকর্ড, ঠাঁই হচ্ছে না শশ্মানেও

ভারতে মৃত্যুর রেকর্ড, ঠাঁই হচ্ছে না শশ্মানেও

ছবিঃ সংগৃহীত
রাজশ্রী কলকাতা।।
করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্ত ভারত। দেশটিতে বেড়েই চলছে মৃত্যুর সংখ্যা। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১৭৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা এখন পর্যন্ত দেশটিতে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।

একই এই সময়ের মধ্যে ২ লাখ ৫৯ হাজার মানুষের শরীরে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দেড় কোটিরও বেশি মানুষ।

এদিকে এত মৃত্যুর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে সৎকার ব্যবস্থাপনাও। শ্মশানের ভেতরে অবিরাম পুড়ছে চিতার কাঠ, বাইরে লাশের দীর্ঘ সারি।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানায়, এ নিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো ভারতে দৈনিক দুই লাখের বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হলো। করোনাভাইরাস সংক্রমণের দিক দিয়ে বিশ্বে ভারতের অবস্থান এখন দ্বিতীয়।

সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে আগামী ১ মে থেকে ১৮ বছর হলেই টিকা নেয়া যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট উৎপাদনের ৫০ শতাংশ পূর্বনির্ধারিত মূল্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে এবং বাকি অংশ রাজ্য সরকার ও বাজারে বিক্রির জন্য দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হচ্ছে মহারাষ্ট্রে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৮ হাজার ৯২৪ জনের শরীরে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, মারা গেছেন ৩৫১ জন। রাজ্যটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮ লাখ ৯৮ হাজারে এবং মোট মারা গেছেন ৬০ হাজার ৮২৪ জন। এর পরেই রয়েছে যথাক্রমে কেরালা, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্র প্রদেশ।

এদিকে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সপ্তাহব্যাপী কারফিউ জারি করা হয়েছে রাজধানী দিল্লিতে। আর কেরালায় জারি করা হয়েছে রাত্রিকালীন কারফিউ।

মহামারিতে মৃতদের দাহ করতে হিমশিম খাচ্ছেন শ্মশানের কর্মীরা। গুজরাটের সুরাটে শ্মশান পরিচালনাকারী একটি ট্রাস্টের প্রেসিডেন্ট কমলেশ শর্মা বলেন, “‘আমরা শতভাগ সক্ষমতা নিয়ে সময় মতো মরদেহ পোড়াতে দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করে চলেছি।”

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD