ইব্রাহিম খলিল শিমুল, নোয়াখালী
নোয়াখালী সুবর্ণচরে এসএফপিসি, উপকূলীয় বন বিভাগের আয়োজনে বিলুপ্ত প্রজাতির হাঙ্গর ও শাপলাপাতা মাছ (Shark & Ray Fish) সংরক্ষণে মৎস্যজীবী, মৎস্য ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের সচেতন করার নিমিত্ত “জনসচেতনতা মূলক পথসভা” অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে এই পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলার বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো: ইব্রাহীম খলিল, সুবর্ণচর উপজেলা বন কর্মকর্তা মো: মোশাররফ হোসেন এবং পূ্র্বচরবাটা ইউনিয়নের রেঞ্জ কর্মকর্তা নাহিদ হাসান।
উপজেলা বন কর্মকর্তা মো: মোশাররফ হোসেন জানান যে, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ এর তফসিল-১ এর ৮টি গণ ও ২৩ টি প্রজাতি ও তফসিল-২ এর ১ টি গণ ও ২৯ টি প্রজাতির হাঙ্গর ও শাপলাপাতা মাছ (Shark & Ray Fish) সংরক্ষিত করা হয়েছে যা ধরা মারা, ক্রয়-বিক্রয় আইনত নিষিদ্ধ।
“যদি মৎস্যজীবী, মৎস্য ব্যবসায়ী এবং ভোক্তারা বুঝতে পারে যে বিপন্ন হাঙ্গর ও রে মাছ রক্ষার মাধ্যমে তারা তাদের জীবন-জীবিকা ও খাদ্যসুরক্ষা নিশ্চিত হবে, তাহলে বাংলাদেশে হাঙ্গর ও রে মাছের অত্যধিক আহরণকে ভবিষ্যতে টেকসই সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। ১১৬ প্রজাতির হাঙ্গর ও রে মাছের অর্ধেকেরও বেশি প্রজাতি বর্তমানে হুমকির মুখে।
সামুদ্রিক প্রতিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং মানবজাতির জন্য একটি সুস্থ সাগর নিশ্চিত করতে হাঙ্গর ও রে মাছও গুরুত্বপূর্ণ।
এসব সংরক্ষিত হাঙ্গর ও রে মাছের মত সামুদ্রিক প্রাণী ধরা, ক্রয়-বিক্রয় করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ অপরাধে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
Leave a Reply