বাকের সরকার বাবর।।
জেলার কসবায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুসহ নবীনগরে আরও একজন আত্মহত্যা করে মারা গেছেন।
শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে কসবা ও নবীনগরের পুলিশ দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
জেলার পৃথকস্থান থেকে লাশ ২টি উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
কসবার কায়েমপুর ইউনিয়নের নোঁয়াগাও গ্রামে গতকাল সকালে সাদিয়া আখতার(২০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়। সে প্রবাসী মনির হোসেনের স্ত্রী।
কসবা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুর আলম জানান, গতকাল সকালে সাদিয়া মারা যাওয়ার কথা শুনে তার বাবা বাসানী মিয়া থানায় গিয়ে মেয়ের মৃত্যু রহস্যজনক বলে অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ গিয়ে দাফনে বাঁধা প্রদান করেন। তারপর অভিযোগের প্রেক্ষিতে কাপনের কাপড়ে মোড়ানো সাদিয়ার লাশটি কসবা থানায় নিয়ে আসা হয়৷
এব্যাপারে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আলমগীর ভূঁইয়া জানান, সাদিয়ার বাবা বাসানী মিয়া থানায় এসে মেয়ের মৃত্যু নিয়ে চিল্লাচিল্লি শুরু করেন। তারপর বাসানী মিয়ার কথামতে, সাদিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। তবে এব্যাপারে থানায় এখনোও কোন অভিযোগ হয়নি। একটি অপমৃত্যু মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে নবীনগর উপজেলায় আফিয়া খাতুন(৩৫) নামের দুই সন্তানের জননী ফাঁসিতে ঝুঁলে আত্মহত্যা করেছে।
গতকাল দুপুরে নিজ ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না পেছিয়ে আত্মহত্যা করেন আফিয়া। সে উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের নিলখী দক্ষিনপাড়ার আরশ মিয়ার স্ত্রী। তাদের ঘরে দুইসন্তান ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আফিয়ার বিয়ের পর থেকে তার স্বামীর সাথে সাংসারিক জীবন সুখি ছিল না। আরশ মিয়া আফিয়াকে না জানিয়ে সে আরও একটি বিয়ে করেন। তা নিয়ে তাদের মধ্যে ঝঁগড়া বিবাদ চলছিল। এ নিয়ে হয়তো বা আফিয়া আত্মহত্যা করেছেন।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বলেন, আমিনুর রশিদ মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে বলেন, যেহেতু এটি আত্মহত্যা তাই লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর বিষয় নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা
Leave a Reply