শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে টিডিএসে খোলা হয়েছে শোক বই বেগম জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় ট্রাফিক স্কুলে দোয়া মাহফিল স্কুল অব লিডারশিপ এর আয়োজনে দিনব্যাপী পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেনিং এন্ড ওয়ার্কশপ চাঁদপুরে সাহিত্য সন্ধ্যা ও বিশ্ববাঙালি মৈত্রী সম্মাননা-২০২৫ অনুষ্ঠিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় টিডিএসে দোয়া মাহফিল সব্যসাচী লেখক, বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদী: সিলেট থেকে বিশ্ব সাহিত্যে কসবায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে নেতাকর্মীদের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরন ৭ই নভেম্বর: সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান এখন কবি আল মাহমুদের সময় দৈনিক ঐশী বাংলা’র জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন ১৭ জানুয়ারি-‘২৬ ঢাকার বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবে জেলা পরিষদের ক্ষতি পাঁচ কোটি টাকার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবে জেলা পরিষদের ক্ষতি পাঁচ কোটি টাকার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।।

গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবে জেলা পরিষদের অন্তত পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. শফিকুল আলম।

আজ রোববার দুপুরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানিয়েছেন।

মো. শফিকুল আলম বলেন, ‘গত ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে চার/পাঁচ শতাধিক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও দুষ্কৃতিকারী শহরের কাউতলি এলাকার জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর মেইন গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।’

‘সেসময় ডাকবাংলোতে তিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কেয়ারটেকার কোনো রকমে আত্মরক্ষা করেন। এ ছাড়া বাংলোর তৃতীয় তলার উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত এক শ্রমিক আতঙ্কে লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি রাজধানীতে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ২৮ মার্চ হেফাজতের ডাকা হরতালের দিনে বেশ কয়েকটি মাদ্রাসার ছাত্র ও দুষ্কৃতিকারীরা অতর্কিত জেলা পরিষদ কার্যালয়ের মেইন গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভবনের আঙিনায় থাকা জাতির জনকের ম্যুরালটি ভাঙার চেষ্টা করে। তারা কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর-ধ্বংসযজ্ঞ শেষে কার্যালয়ের নিচ তলায় ও গ্যারেজে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে দ্বিতীয় তলায় এসে কয়েকটি কক্ষের দরজা ভেঙে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর করে।’

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দাবি করেন, ক্ষতিগ্রস্ত কার্যালয় ও ডাকবাংলো মেরামতে ২ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রয়োজন। আর সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৫ কোটি টাকা।

রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্টকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD