শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কসবায় ২৪ ঘণ্টা মানসম্মত চিকিৎসাসেবার প্রত্যয়ে মডেল হসপিটালের যাত্রা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের কূটনৈতিক চিন্তা, জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক অবস্থানের পাঠ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিশ্ববাঙালি সংসদ শারদ সম্মাননা পেলেন ৯ গুণীজন মাগুরার নিখোঁজ রত্নাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা অন্য কোনো এজেন্সি বা সংস্থায় হস্তান্তর দাবি ট্রাফিক স্কুলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী পালন সবার আগে বাংলাদেশ শীর্ষক টিডিএসে ফ্রি চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের বিদায় বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং উপদেষ্টা মন্ডলী গঠন আরএমপিতে ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত দাকোপের বাজুয়ায় আব্দুল মান্নান খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন কসবায় অবৈধ ড্রেজিংবিরোধী অভিযান, ২টি ড্রেজার ধ্বংস ও ১ লাখ টাকা জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবে জেলা পরিষদের ক্ষতি পাঁচ কোটি টাকার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডবে জেলা পরিষদের ক্ষতি পাঁচ কোটি টাকার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি।।

গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের তাণ্ডবে জেলা পরিষদের অন্তত পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. শফিকুল আলম।

আজ রোববার দুপুরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানিয়েছেন।

মো. শফিকুল আলম বলেন, ‘গত ২৬ মার্চ হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ মিছিল চলাকালে চার/পাঁচ শতাধিক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও দুষ্কৃতিকারী শহরের কাউতলি এলাকার জেলা পরিষদের ডাক বাংলোর মেইন গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।’

‘সেসময় ডাকবাংলোতে তিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও কেয়ারটেকার কোনো রকমে আত্মরক্ষা করেন। এ ছাড়া বাংলোর তৃতীয় তলার উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত এক শ্রমিক আতঙ্কে লাফিয়ে পড়ে গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি রাজধানীতে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ২৮ মার্চ হেফাজতের ডাকা হরতালের দিনে বেশ কয়েকটি মাদ্রাসার ছাত্র ও দুষ্কৃতিকারীরা অতর্কিত জেলা পরিষদ কার্যালয়ের মেইন গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে ভবনের আঙিনায় থাকা জাতির জনকের ম্যুরালটি ভাঙার চেষ্টা করে। তারা কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর-ধ্বংসযজ্ঞ শেষে কার্যালয়ের নিচ তলায় ও গ্যারেজে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে দ্বিতীয় তলায় এসে কয়েকটি কক্ষের দরজা ভেঙে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর করে।’

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দাবি করেন, ক্ষতিগ্রস্ত কার্যালয় ও ডাকবাংলো মেরামতে ২ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার টাকার প্রয়োজন। আর সব মিলিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ৫ কোটি টাকা।

রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্টকারীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি জানিয়েছেন তিনি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD