শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কসবায় ২৪ ঘণ্টা মানসম্মত চিকিৎসাসেবার প্রত্যয়ে মডেল হসপিটালের যাত্রা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের কূটনৈতিক চিন্তা, জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক অবস্থানের পাঠ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিশ্ববাঙালি সংসদ শারদ সম্মাননা পেলেন ৯ গুণীজন মাগুরার নিখোঁজ রত্নাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা অন্য কোনো এজেন্সি বা সংস্থায় হস্তান্তর দাবি ট্রাফিক স্কুলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী পালন সবার আগে বাংলাদেশ শীর্ষক টিডিএসে ফ্রি চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের বিদায় বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং উপদেষ্টা মন্ডলী গঠন আরএমপিতে ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত দাকোপের বাজুয়ায় আব্দুল মান্নান খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন কসবায় অবৈধ ড্রেজিংবিরোধী অভিযান, ২টি ড্রেজার ধ্বংস ও ১ লাখ টাকা জরিমানা
করোনায় চলে গেলেন কসবার কুল্লাপাথর শহীদ সমাধিস্থলের তত্ত্বাবধায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম

করোনায় চলে গেলেন কসবার কুল্লাপাথর শহীদ সমাধিস্থলের তত্ত্বাবধায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম

আবুল খায়ের স্বপন।।

করোনায় চলে গেলেন ব্রা‏হ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত কোল্লাপাথর শহীদ সমাধিস্থলের তত্ত্বাবধায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিম (৭৩)। রাজধানীর কুর্মিটোলা কোভিট হাসপাতালে তিনি গত মঙ্গলবার রাতে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহে—- রাজেউন)।
আজ বুধবার বাদ জোহর নামাজে জানাযা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ সমাধীস্থলে তাকে দাফন করা হয়। এ বীর সৈনিকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদ আনিসুল হক এবং আইন সচিব গোলাম সারওয়ার।
আব্দুল করিম পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর শাসন, শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মাতৃভূমিকে মুক্ত করার জন্য ১৯৭১ সালে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য থেকে প্রশিণ গ্রহণ করে দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ৫১ জন শহিদ মুক্তিযোদ্ধাকে তাঁর পৈত্রিক ৬৫ শতাংশ জমিতে সমাহিত করেন। এদের মধ্যে ৪৮জন শহিদ মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় আছে এবং তিনজন আজও অজ্ঞাত রয়েছে। সেই ১৯৭১ সন থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই সমাধিস্থল রণাবেণ করেছিলেন তিনি।
আবদুল করিম যখনই সারা বাংলাদেশ থেকে যে কেউ আসলেই সমাধিস্থলটি সবকিছু তুলে ধরতেন। সেই সমাধিস্থলটিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পর্যটন কেন্দ্র। নির্মাণ করা হয়েছে একটি কমপ্লেক্সও। আবদুল করিম দেশ প্রেমিক মানুষ হিসাবে পুরো এলাকায় পরিচিতি রয়েছে। সেই মানুষটিকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ পুরো এলাকা।
আব্দুল করিম করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। গত মঙ্গলবার রাতে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি ১১ ছেলে-মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বায়েক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান মো. আল-মামুন ভূইয়া বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল করিম পুরো এলাকায় দেশ প্রেমিক হিসাবে পরিচিতি ছিলেন। তাঁর পৈত্রিক ৬৫ শতাংশ জায়গায় ৫১জন শহিদ মুক্তিযোদ্ধাকে তিনি দাফন –কাফন করিয়েছিলেন। মুক্তযুদ্ধ শেষে এ সমাধিস্থলটিকে দেখা-শুনা করতেন। তার মৃত্যুতে আমরা একজন ভাল মানুষকে হারিয়েছি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD