আবুল খায়ের স্বপন।।
গোরা, শেষের কবিতা, নূরজাহান, পদ্মা নদীর মাঝি, সূর্য দীঘল বাড়ি, তিতাস একটি নদীর নাম, জননীর গল্প, সাতকাহন- এমন এক শ বই থরে থরে সাজানো। দেখলে মনে হবে যেন এক পাঠাগার। এখানেই শেষ নয়। দর্শনার্থীদের মাঝে বিলিও করা হচ্ছে বিভিন্ন বই। সরস্বতী পূজা উপলক্ষে ভিন্ন রূপে সেজেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার পূজামণ্ডপ।
আগত দর্শনার্থীরা পাঠাগারের আদলে এমন পূজামণ্ডপে আসতে পেরে খুশি। সেলফি তুলে, উল্লাস করে নিজেদের মধ্যে আনন্দ ভাগ করে নিচ্ছেন তারা। শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা উপলক্ষে স্থানীয় অরুণ সংঘ দুই দিনব্যাপী এমন ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করেছে।
রাধানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সকালে মায়ের পায়ে পুষ্পাঞ্জলি দেন ভক্তরা। এর আগে পূজা অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়।
অরুণ সংঘের আয়োজকরা জানান, প্রতিবছরই তারা ব্যতিক্রম কিছু নিয়ে হাজির হন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে পাঠাগারের আদলে মণ্ডপ তৈরি করেছেন। তবে করোনার কারণে এ বছর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে না।
পাঠাগারের কারিগর মো. শাহাদাৎ হোসেন জানান, তিনি কুমিল্লার লাকসাম থেকে এসে এখানে কাজ করছেন।
Leave a Reply