ইব্রাহিম খলিল শিমুল, সুবর্ণচর, নোয়াখালী।
নোয়াখালী সুবর্ণচরে এক কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম “সুবর্ণ কলরব” নামে একটি পেইজবুক পেইজ থেকে চরজব্বর ডিগ্রি কলেজের লেকচারার পদে চাকরির জন্য ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে চাকরি চাচ্ছে স্থানীয় সাবেক এক ডিসির পুত্র” এমন শিরোনামে এক কাল্পনিক অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১ অক্টোবর) সকালে চরজব্বর ডিগ্রি কলেজ এর রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আবদুর রহিম ফারুক এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
প্রভাষক মো. আবদুর রহিম ফারুক জানান, সুবর্ণ কলরব নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম একটি ভুয়া পেইজবুক পেইজ থেকে মিথ্যা, বানোয়াট ও আমার মান ক্ষুণ্ণ করার জন্য কে বা কারা আমার বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়েছে। এই পেইজবুক পেইজে স্ট্যাটাস এর সাথে আমার সম্মান, প্রতিষ্ঠানের সম্মান নষ্ট করেছে। আমি এ ঘটনার তিব্রনিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমি ২০০৯ সালে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তর্ণ হই। যার রোল নং ৪০৪১৩৪৮৮। এছাড়াও গত ২০১৩ সালের ২৩ মে ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠ ও আমার সংবাদ পত্রিকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিধি মোতাবেক চরজব্বর ডিগ্রি কলেজে শূন্য পদে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির পর গত ২০১৩ সালের ৩০ ডিসেম্বরে কলেজ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আলোকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে প্রভাষক পদে গত ২০১৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি যোগদান করি।
এছাড়াও গত ২০১৩ সালের ১১ নভেম্বরে প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ সুপারিশ বোর্ডে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি হয়। এ সময় কমিটিতে আহ্বায়ক ছিলেন একরামুল করিম চৌধুরী (এমপি) ও সদস্য সচিব মো. শাহজান। এবং গত ২০১৩ সালের ২০ মার্চ নিয়োগ অনুমোদন কমিটির ১২ জন সদস্যের মধ্যে সভাপতি একরামুল করিম চৌধুরী (এমপি) ও সাধারন সম্পাদক মো. শাহজান ছিলেন। এছাড়াও আমার কাছে একাধিক কাগজপত্র রয়েছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সুবর্ণ কলরব নামে পেইজবুক পেইজ থেকে উল্লেখ করে স্ট্যাটাস দেয়, “২০১২ সালের নিয়োগ দেখিয়ে চরজব্বর ডিগ্রি কলেজের লেকচারার পদে চাকরির জন্য ৩ লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে চাকরি চাচ্ছে স্থানীয় এক সাবেক ডিসির পুত্র। নিয়োগ ছাড়াই নিয়মিত কলেজে আসছেন প্রভাষক মামার সাথে।
অভিযোগ আছে কলেজে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মামার মাধ্যমে ৩ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়। মামা চরজব্বর ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক”। বিস্তারিত আসছে বলে এমন স্ট্যাটাস প্রকাশ করেন।
এবিষয়ে চরজব্বর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ গিয়াস উদ্দিন ফরহান জানান, আমি গত ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করি। এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।
Leave a Reply