শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কসবায় ২৪ ঘণ্টা মানসম্মত চিকিৎসাসেবার প্রত্যয়ে মডেল হসপিটালের যাত্রা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের কূটনৈতিক চিন্তা, জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক অবস্থানের পাঠ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিশ্ববাঙালি সংসদ শারদ সম্মাননা পেলেন ৯ গুণীজন মাগুরার নিখোঁজ রত্নাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা অন্য কোনো এজেন্সি বা সংস্থায় হস্তান্তর দাবি ট্রাফিক স্কুলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী পালন সবার আগে বাংলাদেশ শীর্ষক টিডিএসে ফ্রি চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের বিদায় বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং উপদেষ্টা মন্ডলী গঠন আরএমপিতে ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত দাকোপের বাজুয়ায় আব্দুল মান্নান খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন কসবায় অবৈধ ড্রেজিংবিরোধী অভিযান, ২টি ড্রেজার ধ্বংস ও ১ লাখ টাকা জরিমানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিতে ৫ জন নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গুলিতে ৫ জন নিহত

ফাইল ছবিঃ
বিশেষ প্রতিনিধি।।
ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ জেলার সদর উপজেলার নন্দনপুরে পুলিশ, বিজিবি ও মোদি বিরোধীদের সংঘর্ষে পাচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছে।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে হরতালের পক্ষে বুধল এলাকা থেকে একটি মোদিবিরোধীদের একটি মিছিল শুরু হয়। এসময় এলাকাবাসীও মিছিলটির সাথে মিশে যায়। সেখানে পুলিশ ও বিজিবির সদস্যদের সংখ্যা কম থাকায় মিছিলটি পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের ঘিরে ফেলে। এসময় বিজিবি, পুলিশ ও মোদিবিরোধীদের ত্রিমুখী সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বিজিবি ও পুলিশ গুলিবর্ষণ শুরু করেন। বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হলে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতরা হলেন- নন্দনপুর হারিয়া গ্রামের আবদুল লতিফ মিয়ার ছেলে ওয়ার্কশপের দোকানী জুরু আলম (৩৫), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দাবিড় মিয়ার ছেলে শ্রমিক বাদল মিয়া (২৪) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া বারিউড়া এলাকার মৈন্দ গ্রামের জুরু আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২২), আলী আহমেদের ছেলে শ্রমিক কাউসার মিয়া (২৫) ও বউধল এলাকার জুবায়ের (১৪)।

এছাড়া গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সাইদ মিয়ার ছেলে নুরুল আমিন (৩৫), আবদুল সাত্তারের ছেলে বাছির মিয়া (২৮), আবদুল হোসেনের ছেলে ছাদেক মিয়াসহ (৩৫) আরো ১৫ জনকে হাসপাতালে আনা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তিনজন তারা মারা যান। তারা তিনজনই গুলিবিদ্ধ ছিল। এছাড়াও আরো তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে কাসার ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজনসহ পাচজন মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়া আরো প্রায় ১৫ জন আহত হয়েছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD