আবুল খায়ের স্বপন।।
আজও লক ডাউনের তৃতীয় দিন। কসবায় (০৩ জুলাই ২০২১) সকাল থেকে উপজেলার সব সড়ক যোগাযোগ বন্ধ। কোনো যান বাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। মাঝে মধ্যে দু’একটা অটোরিক্সা, টমটম মটর বাইক চলাচল করতে দেখা গেলেও বিশেষ বিশেষমানুষের প্রয়োজনে এগুলো দেখা যায়। মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করার জন্য, চিকিৎসার জন্য, ঔষুধপত্র কেনার জন্য, ডাক্তার দেখাতে যাওয়ার জন্য এসব টমটম, অটোরিক্স্ নিয়ে যেতে দেখা গেছে। গতকাল ০১ জুলাই থেকে ০৭ জুলাই ২০২১ বুধবার মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত এবারের লক ডাউন বলবৎ থাকবে বলে সরকার ঘোষণা দিয়েছে। মহামারি করোনা ভাইরাস কোভিড -১৯ প্রতিরোধ করার জন্য সরকার লক-ডাউনের (শার্টডাউন) ঘোষণা করে। প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও প্রশাসন স্বাস্থ্যবিধিসহ বিধি – নিষেধ পালন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কসবা উপজেলা প্রশাসন কঠোরতর থেকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ।
আজ শনিবার (০৩/০৭/২১ ইং) সকাল থেকে মাঠে নেমেছে পুলিশ, বিজিবি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে মাইকে মাইকে প্রচার চালাচ্ছে অলি গলি শহর নগর গ্রামে গঞ্জেও। মাইকে আওয়াজ হচ্ছে একটি বিশেষ ঘোষণা “এ আইন অমান্য করিলে এক বছর জেলে দেওয়া হইবে”। তারপরও একাধিক গাড়ীতে করে মোবাইল কোর্টের ঘুরাঘুরি করতে দেখা গেছে ।
এদিকে উপজেলার বাজারগুলোতেও কঠোর থেকে কঠোরতর লক-ডাউনের ব্যবস্থা বলবৎ রয়েছে বলে সূত্র জানায় । আর দূর পাল্লার গণ-পরিবহন তো বন্ধই রয়েছে। আরও জানা গেছে স্থানীয় পরিবহণও বন্ধ রয়েছে। কোথাও কোনো পরিবহণ বা যানবাহণ চলাচল করতে দেখা যায়নি। এমন কি সাইকেল নিয়েও লোকজন আসা যাওয়া করতে চোখে পড়েনি। উপজেলার সড়কগুলো একেবারেই ফাঁকা জনমানবহীন। জরুরী সেবা ছাড়া কোনো যান বাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। দু’একটা দেখা গেলেও বিশেষ বিশেষ জরুরী প্রয়োজনে বের হতে দেখা যায়।
আইন-শৃঙ্খলা ও জরুরি পরিসেবা, কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি, খাদ্য শস্য পরিবহণ ), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহণ, স্বাস্থ্য সেবা, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারী, গণমাধ্যমের সংবাদপত্র কর্মীবাহিনী (প্রিন্ট মিডিয়া অনলাইন ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), ব্যাংক, ফার্মেসিসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে চোখে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার টহল দিতে দেখা যায়।
Leave a Reply