শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কসবায় ২৪ ঘণ্টা মানসম্মত চিকিৎসাসেবার প্রত্যয়ে মডেল হসপিটালের যাত্রা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের কূটনৈতিক চিন্তা, জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক অবস্থানের পাঠ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিশ্ববাঙালি সংসদ শারদ সম্মাননা পেলেন ৯ গুণীজন মাগুরার নিখোঁজ রত্নাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা অন্য কোনো এজেন্সি বা সংস্থায় হস্তান্তর দাবি ট্রাফিক স্কুলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী পালন সবার আগে বাংলাদেশ শীর্ষক টিডিএসে ফ্রি চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের বিদায় বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং উপদেষ্টা মন্ডলী গঠন আরএমপিতে ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত দাকোপের বাজুয়ায় আব্দুল মান্নান খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন কসবায় অবৈধ ড্রেজিংবিরোধী অভিযান, ২টি ড্রেজার ধ্বংস ও ১ লাখ টাকা জরিমানা
চা চাষে ১৬৮ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে বাংলাদেশে

চা চাষে ১৬৮ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে বাংলাদেশে

নিউজ ডেস্ক।।
ছবি সংগৃহীত
১৬৮ বছরের চা চাষের ইতিহাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন করলো বাংলাদেশ। গেলো বছর দেশের চা বাগানগুলোতে চা উৎপাদন হয়েছে ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি।

বুধবার বাংলাদেশ চা বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় গত ২০২১ সালের বাংলাদেশের ছোট-বড় সকল চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদনের খবর।

এর আগে ২০১৯ সালেও চা উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি করেছিলো দেশ। সেবার উৎপাদন হয়েছিলো ৯ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি চা। ২০২০ সালে করোনা মহামারির ভেতর উৎপাদন কিছুটা কমে গেলেও এবার চা উৎপাদনের মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে পূর্ববর্তী ২০১৯ সালের রেকর্ডকে।

এর আগে গত বছরের অক্টোবর মাসে চা উৎপাদনের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ ১ কোটি ৪৫ লাখ কেজি চা উৎপাদন হয়েছিলো বলে জানিয়েছিলো চা বোর্ড।

চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলামকে উদ্ধৃতি দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় হয়, কোভিড পরিস্থিতিতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সব চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। সরকারের আর্থিক প্রণোদনা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ চা বোর্ডের নিয়মিত মনিটরিং ও পরামর্শ প্রদান, বাগান মালিক ও শ্রমিকদের নিরলস প্রচেষ্টা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, চা শ্রমিকদের মজুরি, রেশন এবং স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের ফলে ২০২১ সালে দেশের চা উৎপাদন অতীতের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলে চা চাষীদের ‘ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুলে’র মাধ্যমে চা আবাদ বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহের ফলে শুধু সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্র চা চাষ থেকে ২০২১ সালে আগের বছরের তুলনায় ৪১ শতাংশ বেশি চা উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। গেলো বছর এই সকল চা বগান থেকেই উৎপাদিত হয়েছে ১ কোটি ৪৫ লাখ কেজি চা।

রেকর্ড অনুযায়ী ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়ায় দেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই থেকে ২০১৬ সালে সর্বোচ্চ ৮ কোটি কেজি চা উৎপাদন ছিল সর্বোচ্চ, যা ছাপিয়ে ২০১৯ সালে উৎপাদন হয় ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজি। এবার ছাড়িয়ে গেলো সেই রেকর্ডও।

এদিকে গত বছর চা বোর্ডের লক্ষ্য ছিলো দেশের চা উৎপাদন ১০ কোটি কেজিতে নিয়ে যাওয়া। সেটি সম্ভব না হলেও বছর পেরিয়ে দেশের ১৬৭ টি চা বাগান থেকে ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি চা উৎপাদন হয়। লক্ষ্যমাত্রাকে অতিক্রম করতে যা ছিলো একেবারেই কাছাকাছি।

বাংলাদেশের এই ১৬৭টি চা বাগানের মধ্যে ১৩৬টিই চা চাষের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে। সর্বোচ্চ এক জেলায় মৌলভীবাজারে ৯১টি, হবিগঞ্জে ২৫টি এবং সিলেটে রয়েছে ১৯টি চা বাগান। সিলেট অঞ্চল ব্যতীত চট্টগ্রামে ২১টি এবং রাঙামাটিতে আছে ২টি চা বাগান। অন্যদিকে উত্তরাঞ্চলের সমতল ভূমিতে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে ৮টি আর ঠাকুরগাঁওয়ে ১ টি চা বাগান রয়েছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD