নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার অনুসারীদের ওপর গুলির ঘটনায় প্রতিপক্ষের ১১০জনকে আসামী করে আদালতে মামলা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুর ১২টায় নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম মোসলেহ উদ্দিন মিজানের ২ নম্বর আমলি আদালতে মামলাটির ওপর শুনানি করে। শুনানি শেষে বিচারক মামলাটি নোয়াখালী পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (পিবিআই) কে তদন্তক্রমে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়।
এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় আদালতে অভিযোগটি দায়ের করা হয়। মামলাটি দায়ের করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকরা ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি কাদের মির্জার অনুসারী দেলোয়ার হোসেন সুজন।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী শংকর চন্দ্র ভৌমিক ও সুবির মজুমদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। আইনজীবী আরো জানান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ.লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশিদ মঞ্জুকে প্রধান করে ৮৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ২০/২৫ জনকে আসামী করে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় দ্বিতীয় আসামী করা হয়েছে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে, তৃতীয় আসামী করা হয়েছে সেতুমন্ত্রীর ভাগনে ফখরুল ইসলাম রাহাতকে, চতুর্থ আসামী করা হয়েছে চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান আরিফকে।
প্রসঙ্গত, গত (২৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৯ নস্বর ওয়ার্ডের হড়াইন্নাগো বাড়ীর সামনের সড়কে কাদের মির্জার ও প্রতিপক্ষের অনুসারীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পর্যায়ক্রমে কাদের মির্জার ৮ অনুসারী গুলিবিদ্ধ হয় বলে জানা যায়। তবে প্রথমে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৬জন গুলিবিদ্ধ হয় বলে জানানো হয়। অপরদিকে, বিভিন্ন সমাবেশে বকৃক্তাকালে কাদের মির্জা দাবি করেন এই ঘটনায় তার ১৫জন অনুসারী গুলিবিদ্ধ হয়।
Leave a Reply