আবু সায়েম মোহাম্মাদ সা’-আদাত উল করীম:
জামালপুর সদর থানায় গভীর রাতে জিডি করার পরেও সকালে ভূমিদস্যু ও সান্ত্রাসী কর্তৃক হামলার শিকার হন মাহবুবা আক্তার নাছরীন ও তার পরিবার। ১ মে শনিবার সকাল ১০.৩০ টায় জামালপুর শহরের বজ্রাপুরের মুকুন্দবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জিডি সূত্রে (সাধারন ডাইরি) জানা যায়, মাহবুবা আক্তার নাছরীন ৩০ এপ্রিল শুক্রবার দিবাগত রাত প্রায় সারে এগার টায় জামালপুর সদর থানায় নিজের ও স্বামী-সন্তানের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে একটি জিডি করেন, জি ডি নং -১৫৫৩। মাহবুবা আক্তার নাছরীন জানান তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক। জামালপুর শহরে তার নিজ বাড়ি সংলগ্ন মুকুন্দবাড়ীর মৌজার মধ্যে বিআরএস-৪২ নং বিআরএস খতিয়ানে ৭৪ নং দাগে ৫ শতাংশ (৪ পয়েন্ট ১০০ ভাগের ৯৩অংশ) জমি কিনে সেখানে একটি একচালা টিনের ঘর তৈরি করে ভোগদখল করে আসছেন। তিনি আরও বলেন ক্রয় করার পর থেকেই প্রতিপক্ষ মোঃ আনোয়ার হোসেন বাবলু(৫৬) ও তার সহোদর ছোট ভাই মোঃ আমিনুল ইসলাম বাচ্চু (৫২) সহ তার সহযোগীদের মাধ্যমে অবৈধ ভাবে গায়ের জোরে বেদখল করার জন্য প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে। তারা উভায়ে বজ্রাপুর এলাকার মৃত কমর উদ্দিন এর সন্তান। ১মে শনিবার ২০২১ সকালে তারা সঙ্গবদ্ধভাবে বাড়ি সীমানার ভিতর প্রবেশ করে সিসি ক্যামেরাসহ স্থাপনা ভাংচুর করে পাকা দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে। সে সময় জরুরী পুলিশি সেবা পেতে তার স্বামী মোঃ সহিদুল ইসলাম ৯৯৯ ফোন করে, পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসতে দেরী করায় তিনি জামালপুর জেলা পুলিশ সুপার কে অবহিত করলে জামালপুর সদর থানার পুলিশ উপস্থিত হয়। কিন্ত এর পরেও প্রকাশ্যে ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীরা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। তিনি আরও জানান ইতিপূর্বে গত মাসের ৩১শে মার্চ তারিখে তারা আমার স্বামী-সন্তানসহ আমাকে খুন করার হুমকি প্রদান করলে ১২ এপ্রিল ২০২১ তারিখে জামালপুর সদর থানায় একটি জিডি করি । জানি নং-৬২৯। তার স্বামী শহিদুল ইসলাম বলেন আমি ও আমার পরিবার সন্ত্রাসীদের ভয়ে আতঙ্কিত। আমরা পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। এই বিষয়ে জামালপুর সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ শিবলী সাদিক বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি, আইনানুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। অপর দিকে প্রতিপক্ষ আনোয়ার হোসেন বাবলু ও তার ভাই বাচ্চুর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায় নি।
Leave a Reply