মোঃ আবুল খায়ের স্বপন-
ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ ১২০জন কৃষকের মাঝে আজ শনিবার শেরে বাংলা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আনুষ্ঠানিক ভাবে নগদ অর্থ, বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গভেষনা ইনষ্টিটিউ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এ অনুদান দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রত্যেক কৃষককে নগদ এক হাজার টাকা, পঁাচ কেজি ধানের বীজ, ১০কেজি টিএসপি এবং ১০কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. হায়াত উদ দৌল্লা খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভাচুংয়েলে প্রধান অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ও স্থানীয় সাংসদ আনিসুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কসবা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাশেদুল কাউছার ভূইয়া, কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ উল আলম, কসবা উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক এম.জি হাক্কানী, রুহুল আমিন ভূইয়া, বায়েক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আল-মামুন ভূইয়া প্রমুখ।
সমপ্রতি তিনদিনের প্রবল বর্ষন ও ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়ী ঢলের পানিতে কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের কৈখলা- খাদলা বেলতলী সড়ক, হরিপুর বাজার থেকে পেট্রোবাংলা সড়ক, শেরেবাংলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কোল্লাপাথর সড়ক, শ্যামপুর সড়ক, কৈখলার সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। তিনদিন পানি বন্দি হয়ে পড়ে বড় বায়েক, হরিপুর, বিদ্যানগর, নিশ্চিন্তপুর, গৌরাঙ্গলা, শ্যামপুর, পুটিয়া ও খাদলাসহ প্রায় ১০ গ্রামের সাধারণ লোকজন । এ আকস্মিক বন্যায় সাত হেক্টর রোপা আমন ধানের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ভেসে গেছে শতাধিক পুকুরের মাছ।
Leave a Reply