তারেকুর রহমান পাশের জন ও অন্যকে অন্ধকারে ফেলে, নিজে আলোকিত হওয়া যায়, বাঁকা ঠুটে বিজয়ের হাসি হাসা যায়। সেই আলো হয়তো তোমার জন্য অালো কিন্তু যে অন্ধকারে তার জন্য অসম্ভব ......বিস্তারিত
অনিকেত মৃণালকান্তি আজ খুব বেশি বন্ধু নেই,যারা অসময়ে এসে দরজায় করাঘাত করে ডাকবে বারবার। এরপরেও আমরা কয়েকজন কৃষ্ণচূড়া ফুলরঙা আবেগ নিয়ে ভালো দিন নিয়ে আসার জন্য চাষবাস শুরু করেছি,এখন,ক্রমশ রঙে ......বিস্তারিত
সোলেমান খান মানুষের মন বদলায় যেমন বদলায় রঙ, রোদে,তাপে মুছে যায় মন আর প্রিয় রঙ। মানুষের ঢঙ বদলায় উৎসের স্মৃতি হারায়, প্রীতির জ্যোতি হারায় জীবনের স্রোত বাড়ায়। মানুষ অমানুষ হয় ......বিস্তারিত
রশমি আফগান অসতর্কে বড় হচ্ছে চারাগাছ অগোছালো জংলা বাগান বুঝে নিচ্ছে যুবকের মন ক্রমেই সন্ধ্যা নামে- বলোক ওঠা ভাতের হাঁড়িতে, সংসারী যুবকের ঠোঁটে অন্যরকম হাসি… সোনা ধানের পরশে গোড়ালি ক্ষয়ে ......বিস্তারিত
অরিন্দম দেব কলকাতা ১৯৬৫ সালে – তিন সেপ্টেম্বর গোলেমালে, মা মোর গেলেন হাসপাতালে, আমার জন্ম হয়! আমি তখন দিব্যি ভালো, ওজন পাক্কা আড়াই কিলো কিন্তু আবলুশ কাঠের কালো মা বলেন ......বিস্তারিত
প্রদীপ গুপ্ত কলকাতা সামনে ব্যান্ডপার্টি পেছনে তাসা মাঝখানে ভাঙ খাওয়া বিপ্লবীদের সাথে মুখে কেরোসিন নিয়ে হাতের মশালে ফুঃ ছুঁড়ে দিয়ে আমিও অনেক আগুন ছুড়েছি আকাশে এখন বুঝি বিপ্লবের তাতে কিছু ......বিস্তারিত
নাজমুল হালদার কলকাতা ভবঘুরে ঘুম খুচরো হয়ে যায় ভোরবেলা। ঘরময় ঘাই মারে ফজরের আজান! বুকের নৌকা নড়ে ওঠে অকস্মাৎ– ওজুর পানিতে আঁচড় কাটে বেদনার লাল বেড়াল! সারা-গায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা রাতজাগা ......বিস্তারিত
ছন্দা দাশ অনেকদিন কোথাও যাইনি ভাবছি এবার কোথাও যাবো।কিনতু গার্হস্থ্য জীবনের পোড় খাওয়া দিন যাপনের ক্লান্তিতে সততই স্বপ্ন দেখতে দেখতেই কখন বৃক্ষের মতো স্থবির হয়ে গেছি। শাখা প্রশাখা মেলে দিয়ে ......বিস্তারিত
প্রনয় মুখার্জী চাইলেই চলে যেতে পারি, কিন্তু কেন যাব ? তুমি না ফিরলেও, বর্ষা হবে পরের বছর। শ্রাবনের সাথে ছন্দ মিলিয়ে কবিতা লেখা বাকি! বিষাদ মাখা সন্ধ্যা, ক্লান্ত চাঁদ আমায় ......বিস্তারিত
মানস কুমার মাইতি আমার পিতৃপুরুষের প্রবাহ বিছিয়ে দিয়েছি ধান পাতায়, শান্ত অবসর সরিয়ে শিকড়ের মগ্নতায় ঢেলেছি শ্রম, চেয়েছি ফসল .. তোমার এক একটা স্পর্শে বুকের শক্ত মাটিও ভিজে কাদা হয়েছে, ......বিস্তারিত