শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কসবায় ২৪ ঘণ্টা মানসম্মত চিকিৎসাসেবার প্রত্যয়ে মডেল হসপিটালের যাত্রা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া: বাংলাদেশের কূটনৈতিক চিন্তা, জাতীয় স্বার্থ ও বৈশ্বিক অবস্থানের পাঠ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিশ্ববাঙালি সংসদ শারদ সম্মাননা পেলেন ৯ গুণীজন মাগুরার নিখোঁজ রত্নাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। মামলা অন্য কোনো এজেন্সি বা সংস্থায় হস্তান্তর দাবি ট্রাফিক স্কুলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী পালন সবার আগে বাংলাদেশ শীর্ষক টিডিএসে ফ্রি চক্ষু সেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত কসবায় ব্যাংকার্স ফোরামের বিদায় বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান এবং উপদেষ্টা মন্ডলী গঠন আরএমপিতে ফয়জুল কবিরের নেতৃত্বে জনবান্ধব পুলিশিংয়ের নতুন দিগন্ত দাকোপের বাজুয়ায় আব্দুল মান্নান খানের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সম্পন্ন কসবায় অবৈধ ড্রেজিংবিরোধী অভিযান, ২টি ড্রেজার ধ্বংস ও ১ লাখ টাকা জরিমানা
ঝালকাঠিতে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রস্তাবনা

ঝালকাঠিতে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রস্তাবনা

আমির হোসেন, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য প্রস্তাবনা পাঠিয়েছে গণপূর্ত অধিদপ্তর। ঝালকাঠি গণপূর্ত বিভাগ ইতোমধ্যে স্থান নির্বাচন ও ভবনের পরিকল্পনাপত্রে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী অনুস্বাক্ষর করেছেন। সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ঝালকাঠি গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রকৌশলী ফয়সাল আলম জানান, ঝালকাঠি-২ (সদর-নলছিটি) আসনের এমপি ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমুও পরিকল্পনাপত্রে ডিও লেটার হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন। পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য পরিকল্পনাপত্রটি কেন্দ্রীয় পূর্ত অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

সদর হাসপাতাল সূত্র জানায়, ১৯৮৩ সালে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হলেও ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হয় ১৯৮৪ সালে। ২০০৩ সালে ১০০ শয্যার প্রশাসনিক অনুমতিতে ৫০ শয্যার জনবল দিয়েই চলে সার্বিক কার্যক্রম। ২০০৩ সালে ১০০ শয্যার প্রশাসনিক অনুমতি পেলেও ২০২২ সালে সমসংখ্যক জনবল নিয়োগের অনুমোদন দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

২০১৮ সালের ১১ আগস্ট ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের বহুতল ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে। ভবনটি নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

গণপূর্ত কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১০০ শয্যা বিশিষ্ট ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের পেছনের ডোবাসহ যে জমি রয়েছে সেখানে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য ১২তলা ফাউন্ডেশন নিয়ে ভবন তৈরিতে জমির প্রয়োজন এক একর ৪০ শতাংশ জমি। বাকি জমি ভবনের মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারবে। জেলা ভবন নির্মাণ কমিটি সরেজমিন পরিদর্শন শেষে স্থান নির্বাচন করা হয়েছে।

দেশে সরাসরি সরকারের ব্যবস্থাপনাধীনে পরিচালিত মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ৩৭টি। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১০টি মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬টি, রাজশাহী বিভাগে ৫টি, খুলনা বিভাগে ৫টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩টি, সিলেট বিভাগে ৩টি, রংপুর বিভাগে ৩টি এবং বরিশাল বিভাগে ২টি মেডিকেল কলেজ অবস্থিত।

এসব মেডিকেল কলেজে সর্বমোট আসন সংখ্যা ৪৩৫০টি এবং প্রায় প্রতিবছরই এই সংখ্যাটি বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১৯৪৬ সালে ব্রিটিশ শাসনামলে ঢাকার বকশিবাজারে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা মেডিকেল কলেজই দেশের প্রথম সরকারি পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত মেডিকেল কলেজ।

এছাড়া সরকারি কলেজগুলোর ন্যায় প্রতিটি বেসরকারি কলেজকেও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল থেকে অনুমোদন নিতে হয়। প্রায় প্রতি বছরই বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নতুন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়। ২০১৩ সালে বেসরকারি মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ছিল ৬৫ টি, ২০১৪-তে ৬৬ টি। ২০১৮ এ ধরনের মেডিকেল কলেজের সংখ্যা ছিল ৬৯টি এবং ২০২০-এ এর সংখ্যা ৭০টি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




raytahost-demo
© All rights reserved © 2019
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD